বিরামপুর উপজেলার প্রলিপ্রয়াগ ইউনিয়নের চন্ডিপুরে ১ একর জমিতে রপ্তানি যোগ্য লতিরাজ কচু চাষ করে ভাগ্য বদলেছে কৃষক আব্দুর মজিদের।
সফল চাষী আব্দুল মজিদ জানান, বিরামপুর উপজেলা কৃষি দপ্তরের পরামর্শে ১ একর জমিতে কচু চাষ করেন। দুই মাসের ব্যবধানে প্রায় দেড় লক্ষ টাকার লতিরাজ কচু বিক্রি করে আয় করেছেন। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে আরো ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকার লতি বিক্রি করবেন, এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি জানান, কয়েকজন চাষীকে প্রথম পর্যায়ে বিনামূল্যে লতিরাজ কচুর চারা বিতরণ করেছেন, এখন বানিজ্যিক ভাবে চারা বিক্রির পরিকল্পনা নিচ্ছেন ।
বিরামপুর কৃষি দপ্তর ও প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল এ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ এ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রকল্পের আওতায় এ সফলতা এসেছে।
বিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কমল কৃষ্ণ রায় জানান, এই কচুর লতি অধিক ফলন,বিষমুক্ত এবং নিরাপদ যা বিদেশেও রপ্তানিযোগ্য। লতিরাজ কচু বাজারজাতকরণে সহযোগিতা করা হচ্ছে।
পার্টনার প্রকল্প দিনাজপুর অঞ্চলের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার সঞ্জয় দেবনাথ বিরামপুরের প্রকল্পটি পরিদর্শন কালে উৎপাদনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তিনি লতিরাজ কচু বিপপনে সহযোগিতা করতে বিরামপুর কৃষি কর্মকর্তাকে নিদের্শনা দেন।
শনিবার (২৬ এপ্রিল) বিরামপুর নতুন বাজারে ২টি দোকানে দেখা গেছে কৃষি দপ্তরের সহযোগিতায় পূর্নাঙ্গ তথ্য দিয়ে কিউবারকোটসহ প্যাকেট জাত করে বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা কেজি দরে।
লতিরাজ কচুর উৎপাদক আব্দুর মজিদ জানান, বাজারজাতকরণে কৃষি বিভাগের সহযোগিতার কারনে পণ্যের দাম ভাল পাচ্ছেন। পাশাপাশি ক্রেতারা কিউবার কোট স্ক্যান করে সবকিছু জানতে পারবেন।
