জমিদারি প্রথার উচ্ছেদ আইন প্রবর্তনের পর সরকারি সংস্থা কোর্ট অব ওয়ার্ডসের বর্তমান আইনগত অবস্থা

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০২৫, ০২:৪৪ এএম

বিষয় : ১৯৫০ ইং সনের জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ আইন বা রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন কার্যকরী করার পর কোর্ট অব ওয়ার্ডস, ভাওয়াল রাজ এস্টেটকে দেশের সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক বাতিল বা বিলীন ঘোষণা বিষয়ক এবং নবাব এস্টেটকে শুধুমাত্র উহার চয়েজ তালিকায় উল্লিখিত খাস সম্পত্তি দেখাশোনা ও রক্ষণাবেক্ষণের নির্দেশ বিষয়ক বর্ণনা

১। ঢাকা শহরসহ বৃহত্তর ঢাকা জেলার অন্তর্গত অধিকাংশ সম্পত্তির সি.এস রেকর্ড মতে মালিক ছিলেন তৎকালীন সময়ের দুইটি বড় জমিদার যথাক্রমে নবাব স্যার সলিমুল্লাহ বাহাদুর এবং ভাওয়াল জমিদার কুমার রবীন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী। উক্ত দুই বড় জমিদারই তাহাদের স্ব স্ব বিশাল পরিমাণ সম্পত্তির মধ্যে সামান্য কিছু জমি নিজেদের ভোগদখলে খাস সম্পত্তি হিসাবে রাখিয়া বাকি সকল সম্পত্তি ১৮৮৫ ইং সনের বেঙ্গল টেন্যান্সি অ্যাক্ট-এর বিধানমতে প্রজাপত্তনীর মাধ্যমে প্রজাদের নিকট বিলি করিয়া উক্ত প্রজাপত্তনীকৃত সম্পত্তির বিপরীতে ধার্যকৃত খাজনা স্ব স্ব প্রজাদের নিকট হইতে আদায়ে প্রজাদের মাধ্যমে ভোগদখল এবং ব্যবস্থাপনা করিতে থাকেন। 

২। ঐরূপ অবস্থায় কোর্ট অব ওয়ার্ডস আইনের আওতায় বৃহত্তর ঢাকা জেলার উক্ত ২ জন জমিদার যথাক্রমে ঢাকার জমিদার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ বাহাদুর এবং গাজীপুরের জমিদার কুমার রবীন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী নিজেদেরকে উক্ত আইনের আওতায় অপরাগ প্রোপ্রাইটর হিসাবে ঘোষণাক্রমে তাহাদের স্ব স্ব খাস দখলীয় এবং প্রজাবিলিকৃত সম্পত্তি সরকারী সংস্থা ‘কোর্ট অব ওয়ার্ডস’-এর উপর শুধুমাত্র ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রদান করিলে উক্ত সরকারী সংস্থা‘কোর্ট অব ওয়ার্ডস’ উক্ত ২ জন জমিদারের প্রদত্ত উভয় প্রকার সম্পত্তির আইনগত প্রতিনিধিত্বকারী বা অভিভাবক হিসাবে শুধুমাত্র ব্যবস্থাপনার জন্য গ্রহণে তাহাদের উভয় প্রকার সম্পত্তি তাহাদের আইনগত প্রতিনিধি হিসাবে দেখাশোনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করিতে থাকে। কোর্ট অব ওয়ার্ডস ইতিপূর্বে উল্লিখিত মতে উক্ত ২টি এস্টেটের উক্ত দুই প্রকার সম্পত্তি ঐরূপ শুধুমাত্র দেখাশোনা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পাওয়াতে দায়িত্ব প্রাপ্ত উক্ত দুই প্রকার সম্পত্তিতে কোনদিন কোনকালে মালিক হিসাবে গণ্য হয় নাই বরং উক্ত ২ জন প্রাইভেট জমিদারই তাহাদের স্ব স্ব এষ্টেটের সম্পত্তিতে পূর্ববৎ ওয়ারিশানক্রমে মালিক হিসাবে থাকিয়া যান। সেই কারণে সরকারী সংস্থা ‘কোর্ট অব ওয়ার্ডস’ - এর ব্যবস্থাপনায় থাকা উক্ত ২টি এষ্টেটের সম্পত্তির আয়-উন্নতির কোন অর্থ সরকারী তহবিলে এযাবৎকাল জমা হয় নাই বরং উহাদের আয়-উন্নতির টাকা ব্যবস্থাপনার খরচ বাদে যা অবশিষ্ট থাকে উহা উক্ত দুই জমিদার এবং তৎমৃত্যুতে তাহাদের স্ব স্ব ওয়ারিশানগণই প্রাপ্ত হইতে থাকেন

৩। ঐরূপ অবস্থায় উক্ত দুইটি জমিদারসহ সকল জমিদারদের ‘জমিদারি’ বা প্রজাদের নিকট বিলি করা সম্পত্তিতে খাজনা নেওয়ার অধিকার তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক সরকার হুকুম দখলের মাধ্যমে নিজে গ্রহণের জন্য ও প্রত্যেক জমিদারদের রিটেইনেবল খাস দখলীয় সম্পত্তির মালিকানার সর্বোচ্চ সীমা অনধিক ৩৭৫ বিঘা পর্যন্ত  নির্ধারণের জন্য এবং নির্ধারিত পরিমাণের অতিরিক্ত খাস সম্পত্তিকে এবং তাহাদের মালিকানাধীনে থাকা জনসাধারণের ব্যবহার্য সকল ধরনের খাস সম্পত্তি যেমন খাল-বিল, নদী-নালা, হাট-বাজার, পথ-ঘাট, বন ও কাচারী ইত্যাদিকে জমিদারের নন-রিটেইনেবল (Non-Retainable) খাস সম্পত্তিরূপে ঘোষণাপূর্বক উহা সরকারের মালিকানায় বা খাসে নেওয়ার জন্য এবং ঐরূপ মূল ৩টি উদ্দেশ্যসহ আরও কতিপয় উদ্দেশ্য কার্যকরী করার পর উক্ত জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ আইন বলে ৩ ভাগে বিভক্তকৃত জমিতে ৩ প্রকার ব্যক্তির উপর অর্জিত যার যার আলাদা আলাদা মালিক দখলীয় সম্পত্তি পরবর্তীতে মালিকানা, ভোগদখল, হস্তান্তর, নামজারি জমাভাগ ও ভূমি উন্নয়ন কর ইত্যাদি কীভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালিত হইবে তদবিষয়ে দিক নির্দেশনা দেওয়ার জন্য সরকার ১৯৫০ ইং সনে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ আইন বা রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনটি প্রবর্তন করেন।

৪। পরবর্তীকালে তৎকালীন সরকার উক্ত ১৯৫০ ইং সনের জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ আইন কোর্ট অব ওয়ার্ডস-এর তত্ত্বাবধানে থাকা উক্ত ২টি জমিদার তথা ঢাকার জমিদার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ বাহাদুরের নবাব এস্টেট এবং গাজীপুরের ভাওয়াল জমিদারের ভাওয়াল রাজ এস্টেটসহ সকল জমিদারের স্ব স্ব এস্টেটের সম্পত্তির ক্ষেত্রে কার্যকরী করণার্থে প্রথমে ১৯৫২ ইং সনে কোর্ট অব ওয়ার্ডস আইনতে ৮এ ধারা সংযোজন করেন এবং তৎপর উক্ত ২টি এস্টেটের সম্পত্তিসহ সকল জমিদারদের সম্পত্তিকে যথাক্রমে (১) রিটেইনেবল খাস, (২) নন-রিটেইনেবল খাস এবং (৩) প্রজাবিলি সম্পত্তিরূপে ৩ ভাগে বিভক্ত করিয়া দ্বিতীয়োক্ত ও তৃতীয়োক্ত সম্পত্তির বিপরীতে সরকার কর্তৃক আলাদা আলাদা গেজেট প্রকাশ করার পর উক্ত ২টি আলাদা আলাদা গেজেটভুক্ত সম্পত্তির মধ্যে দ্বিতীয়োক্ত নন-রিটেইনেবল খাস সম্পত্তির গেজেটে উল্লিখিত সকল সম্পত্তিতে সরকারকে মালিক হিসাবে ঘোষণাক্রমে সরকারের খাস সম্পত্তিরূপে এবং তৃতীয়োক্ত প্রজাবিলি গেজেটভুক্ত সম্পত্তিতে যার যার দখলে থাকা প্রজাগণকে মালিক হিসাবে ঘোষণা করেন। অন্যদিকে ইতিপূর্বে উল্লিখিত জমিদারদ্বয়পক্ষে কোর্ট অব ওয়ার্ডস কর্তৃক প্রদত্ত চয়েজ তালিকায় উল্লিখিত বাদবাকি সর্বোচ্চ ৩৭৫ বিঘা পর্যন্ত খাস দখলী সম্পত্তি জমিদারের মালিক দখলীয় সম্পত্তিরূপে ঘোষণা করেন।

৫। সরকার পরবর্তী সময়ে প্রত্যেক জমিদারের বিভক্তকৃত ৩ প্রকার সম্পত্তির বিপরীতে ৩ প্রকার এস.এ খতিয়ান প্রস্তুতে সরকারের উপর অর্পিত খাস সম্পত্তি বাদে বাকি দুই প্রকার সম্পত্তির উভয় শ্রেণির মালিকদেরকে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ আইনের ৮১ ধারা বলে সরকারের অধীনে সমঅধিকারের কমন প্রজা বা মালিক গণ্যে আলাদা আলাদা এস.এ খতিয়ান প্রস্তুতে প্রজাদের নামীয় এস.এ খতিয়ানতে মালিকানা অর্জনের ভিত্তি হিসাবে ২৪/১ ধারা বা রায়তিস্বত্বে মালিক মর্মে এবং সাবেক জমিদারের নামীয় এস.এ খতিয়ানতে ২৩/১ ধারা বা খাস দখলস্বত্বে মালিক মর্মে উল্লেখে উভয় প্রকার সম্পত্তির বিপরীতে প্রস্তুতকৃত উভয় প্রকার খতিয়ানতে ধার্যকৃত খাজনা বা ভূমি রাজস্ব এই সর্বপ্রথম সরকার নিজে গ্রহণ শুরু করেন যাহা পরবর্তী আর.এস রেকর্ড পর্যন্ত বলবৎ থাকে।

৬। ১৯৫০ ইং সনের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন বা জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ আইন এবং কোর্ট অব ওয়ার্ডস আইনের সংশোধিত ৮এ ধারা কার্যকরীক্রমে প্রজাইস্বত্বের মালিকদের নামে প্রস্তুতকৃত এস.এ ও আর.এস রেকর্ডের ধারাবাহিকতায় সরকার কর্তৃক ঢাকা শহর বেষ্টিত সম্পত্তির বিপরীতে সর্বশেষ ঢাকা সিটি জরিপ রেকর্ড এবং ঢাকার অধীনস্ত সাভার উপজেলায় বি.আর.এস জরিপ চালু করিলে কোর্ট অব ওয়ার্ডস-এর অধীনে থাকা প্রাক্তন জমিদার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ বাহাদুর এবং ভাওয়াল জমিদার কুমার রবীন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরীর পক্ষে সরকারী সংস্থা ‘কোর্ট অব ওয়ার্ডস’-এর ব্যবস্থাপনায় থাকা তাহাদের রিটেইনেবল চয়েজ তালিকাভুক্ত খাস সম্পত্তি বাদেও জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ আইন কার্যকরীকরণের মাধ্যমে প্রজাবিলি গেজেটতে উল্লিখিত সম্পত্তির প্রজাইস্বত্বে বা রায়তি স্বত্বের সাধারণ মালিকদেরকে অযথা হয়রানি করার অসৎ-উদ্দেশ্যে কোর্ট অব ওয়ার্ডস উহার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ভূমি সচিবকে দ্বারা গত ১০/১১/২০০২ ইং তারিখে স্মারক নং- ভূঃ মঃ/শা-২/(খতিয়ান নকসা/প্রণয়ন)/৪৫/২০০২/৮১৭ ইস্যু করাইয়া তৎবলে প্রজাবিলি গেজেট কার্যকরীক্রমে এস.এ ও আর.এস রেকর্ডীয় প্রজাইস্বত্বের মালিকদের স্বত্ব দখলীয় সম্পত্তিকে অত্যন্ত অন্যায় ও বেআইনিভাবে সি.এস রেকর্ডের ভিত্তিতে কোর্ট অব ওয়ার্ডস-এর নামে রেকর্ড করাইতে থাকিলে প্রজাইস্বত্বে এস.এ ও আর.এস রেকর্ডীয় মালিকদের মধ্যে কতিপয় মালিক রমিছা খানম গং উক্ত স্মারককে চ্যালেঞ্জ করিয়া মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে রিট মোকদ্দমা রুজু করিলে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ ৬১ ডি.এল.আরতে ১৮ পৃষ্ঠায় উল্লিখিত রায়ের ৩৬নং অনুচ্ছেদে উক্ত স্মারকটি বাতিল করিয়া উক্ত রায়ের অন্যান্য অংশে এ মর্মে সিদ্ধান্ত দেন যে, কোর্ট অব ওয়ার্ডস শুধুমাত্র উহার চয়েজ তালিকায় উল্লিখিত খাস সম্পত্তি দেখাশোনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করিতে পারিবে। বাকি ২ প্রকার যথাক্রমে প্রজাবিলি গেজেটে উল্লিখিত প্রজাবিলি সম্পত্তিতে এবং নন-রিটেইনেবল সম্পত্তির গেজেটে উল্লিখিত সরকারের সম্পত্তিতে মালিকানা ও ভোগ দখলে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ করিতে পারিবে না।

৭। উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে কোর্ট অব ওয়ার্ডস আপিল দায়ের জন্য অনুমতি প্রার্থনা করিয়া মহামান্য আপিল বিভাগে সি.পি.এল.এ মোকদ্দমা নং-১৪৪৭-১৪৫২/২০০৮ রুজু করিলে মহামান্য আপিল বিভাগ ১৪ এম.এল.আরতে ৪০১ পৃষ্ঠায় রিপোর্টকৃত রায়ে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের রায় বহাল রাখিয়া কোর্ট অব ওয়ার্ডস-এর প্রার্থিত আপিল দায়েরের অনুমতি প্রত্যাখ্যানে এ মর্মে পুনঃসিদ্ধান্ত দেন যে, প্রজাবিলি গেজেটভুক্ত সম্পত্তিতে মালিক হইবেন স্ব স্ব প্রজা বা রায়তগণ এবং জমিদারের নন-রিটেইনেবল খাস সম্পত্তির মালিক হইবেন সরকার এবং চয়েজ তালিকায় উল্লিখিত রিটেইনেবল খাস সম্পত্তির মালিক হইবেন সাবেক জমিদার এবং সাবেক জমিদার বা জমিদারের পক্ষে-কোর্ট অব ওয়ার্ডস শুধুমাত্র উহার চয়েজ রিটেইনেবল খাস সম্পত্তি দেখাশোনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করিতে পারিবেন।

৮। দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসাবে মহামান্য  কোর্টের আপিল বিভাগ কর্তৃক ১৪ এম.এল.আরতে ৪০১ পৃষ্ঠায় উল্লিখিত সকলের জন্য প্রযোজ্য (Judgment-inrem) রায়ে ঐরূপ নির্দেশনা দেওয়া সত্ত্বেও কোর্ট অব ওয়ার্ডসতে নতুনভাবে বদলিমূলে আসা সরকারী কর্মকর্তাগণ পুনরায় ভাওয়াল রাজ এস্টেটের প্রজাবিলি গেজেটে উল্লিখিত সম্পত্তিতে সি.এস রেকর্ডের ভিত্তিতে বেআইনি মালিকানা দাবি করিয়া পুনরায় স্মারক ইস্যু করিতে থাকিলে মহামান্য  কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ কোর্ট অব ওয়ার্ডস-এর দায়িত্বে থাকা ভূমি সংস্কার বোর্ডকে এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট ভূমি মন্ত্রণালয়কে ১৯ এম.এল.আরতে ১ পৃষ্ঠায় উল্লিখিত রায়ের ২৫নং প্যারাতে এ মর্মে সিদ্ধান্ত দেন যে, কোর্ট অব ওয়ার্ডস, ভাওয়াল জমিদারের আইনগত প্রতিনিধি হিসাবে শুধুমাত্র উহার চয়েজ তালিকায় উল্লিখিত রিটেইনেবল খাস সম্পত্তি দেখাশোনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করিতে পারিবেন। কোনোক্রমেই প্রজাবিলি গেজেটে উল্লিখিত প্রজাই বা রায়তিস্বত্বে এস.এ ও আর.এস রেকর্ডীয় মালিকদের সম্পত্তি দাবি করিতে পারিবে না এবং ঐরূপ দাবি করিয়া কোনো স্মারক ইস্যু বা মামলা মোকদ্দমা রুজু করিলে আদালত অবমাননার জন্য দায়ী হইবেন এবং মোকদ্দমাগুলি পি.ও ৯০/১৯৭২ বলে তাৎক্ষণিক খারিজ হইবে।

৯। মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের ঐরূপ নির্দেশনা পরবর্তীতে সরকারের ভূমি মন্ত্রাণালয় ও সরকারী সংস্থা ‘কোর্ট অব ওয়ার্ডস’ মানিয়া নিয়া প্রথমে কোর্ট অব ওয়ার্ডস কর্তৃক গত ১০/০৭/২০১৪ ইং তারিখে বি.আর.ঢাকা-৮১/২০০৩/৩২৪নং স্মারক ইস্যু করিয়া বলা হয় যে, তৎকর্তৃক ইতিপূর্বে নবাব এস্টেট ও ভাওয়াল রাজ এস্টেটের সম্পত্তির  সি.এস রেকর্ডের ভিত্তিতে নামজারি বিষয়ে ইস্যুকৃত সকল স্মারক এতদ্বারা বাতিল করা হইল এবং যে সকল সম্পত্তি প্রজাবিলি জমিদারী প্রথার উচ্ছেদ আইন প্রবর্তনের পর সরকারি সংস্থা কোর্ট অব ওয়ার্ডসের বর্তমান আইনগত অবস্থা গেজেটভুক্ত হইয়া পরবর্তী এস.এ ও আর.এস রেকর্ড ব্যক্তি নামে হইয়াছে সেই সকল সম্পত্তির নামজারি ও জমাভাগ করিতে এখন হইতে আর কোন বাধা রহিল না। তৎপর সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তৃক যথাক্রমে গত ২৭/১০/২০১৫ ইং তারিখের ৩১.০০.০০০০.০৪২.৬৭.০৩২.১৫-৯৮৭ নং ও গত ০২/০২/২০১৬ ইং তারিখের ৩১.০০.০০০০.০৪৬.৫৮.০১৯.১২-৭০ নং স্মারক ইস্যু করিয়া বলা হয় যে, প্রজাবিলি গেজেটভুক্ত সম্পত্তিতে অন্যায় ও বেআইনিভাবে মালিকানা দাবিতে সংশ্লিষ্ট প্রজাইস্বত্বে মালিকদেরকে আর যেন সংশ্লিষ্ট সরকারী সংস্থা ‘কোর্ট অব ওয়ার্ডস’তে নিয়োজিত সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ কোনো প্রকার অযথা হয়রানি না করেন।

১০। কোর্ট অব ওয়ার্ডস কর্তৃক এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট ভূমি মন্ত্রাণালয় কর্তৃক মহামান্য  কোর্টের নির্দেশনার আলোকে প্রজাইস্বত্বে মালিকদেরকে ঐরূপ হয়রানি না করার নির্দেশনা দেওয়া ও থাকা সত্ত্বেও কোর্ট অব ওয়ার্ডসতে বদলিমূলে নতুনভাবে আসা সরকারী কর্মচারী কর্মকর্তাগণ প্রজাবিলি গেজেট কার্যকারীক্রমে এস.এ ও আর.এস রেকর্ডীয় মালিকদের সম্পত্তিতে পুনরায় অত্যন্ত বেআইনি ও অন্যায়ভাবে মালিকানা দাবি করিয়া পুনরায় নতুনভাবে স্মারক ইস্যু করিতে থাকিলে রায়তি বা প্রজাইস্বত্বে মালিকদের মধ্যে নুরুল ইসলাম গং কোর্ট অব ওয়ার্ডসতে নিয়োজিত তৎকালীন সরকারী কর্মকর্তা যথাক্রমে ভূমি সংস্কার বোর্ডের তৎকালীন সচিব পদমর্যদায় নিয়োজিত চেয়ারম্যান জনাব নুরুল হক এবং তৎকালীন সময়ের ভাওয়াল রাজ এস্টেটের ম্যানেজার জনাব আব্দুর রউফ-এর বিরুদ্ধে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে আদালত অবমাননা (Contempt of Court) মোকদ্দমা নং-২২৬/২০১৩ ও ৩৪৬/২০১৩ রুজু করিলে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ তাহাদের উপর রুল জারী করিয়া আদালতে হাজির হইতে নির্দেশ দেন। উক্ত নির্দেশমতে তাহারা আদালতে হাজির হইয়া আর কোনোদিন পুনরায় প্রজাবিলি গেজেভুক্ত সম্পত্তিতে কোর্ট অব ওয়ার্ডসের মালিকানা দাবিতে সাধারণ প্রজাইস্বত্বে এস.এ ও আর.এস রেকর্ডীয় মালিকদেরকে হয়রানি করিবেন না মর্মে লিখিত অঙ্গীকারনামা প্রদান করিয়া ক্ষমা প্রার্থনা করিলে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ তাহাদের ঐরূপ লিখিত অঙ্গীকারনামা এবং চাহিত ক্ষমা গ্রহণে শেষ বারের মতো মাফ করিলেও তাহাদেরকে এ মর্মে সতর্ক করেন যে, প্রজাবিলি গেজেটভুক্ত সম্পত্তিতে পরবর্তীতে পুনরায় যদি কোন সরকারী কর্মকর্তা বেআইনি মালিকানা দাবিতে প্রজাইস্বত্বে বা রায়তি স্বত্বের ভিত্তিতে এস.এ ও আর.এস রেকর্ডীয় মালিকদের হয়রানি করেন তবে তাহাদেরকে পরবর্তীতে আর মাফ করা হইবে না।

১১। দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসাবে মহামান্য কোর্ট কর্তৃক প্রজাবিলি গেজেটতে উল্লিখিত সম্পত্তিতে মালিকানা দাবিতে প্রজাইস্বত্বে এস.এ রেকর্ডীয় মালিক সাধারণ জনগণকে হয়রানি না করার নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও পুনরায় কোর্ট অব ওয়ার্ডসতে বদলিমূলে নতুনভাবে আসা নিয়োজিত সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ প্রজাবিলি গেজেটভুক্ত সম্পত্তিতে পুনরায় কোর্ট অব ওয়ার্ডস এর মালিকানা দাবিতে প্রজাইস্বত্বের মালিক আবুল কালাম গংকে তাহাদের ঘরবাড়ি হইতে উচ্ছেদ করিলে মহামান্য  কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ভায়োলেশন সিভিল রুল মোকদ্দমা নং-১৭৮(এফ.এম) ভায়োলেশন/২০০৮ তে প্রদত্ত গত ২৪/০৪/২০১৪ ইং তারিখের রায়ে কোর্ট অব ওয়ার্ডসতে নিয়োজিত বিভিন্ন সরকারী কর্মকর্তাকে ও তাহাদের সহযোগী হিসাবে গাজীপুর জেলার তৎকালীন জেলা প্রশাসক ও এস.পিকে বিভিন্ন মেয়াদের শাস্তি প্রদান করা ছাড়াও আর্থিক জরিমানা প্রদান করেন।

১২। একপর্যায়ে জনাব মোঃ খলিলুর রহমান, এডভোকেট কর্তৃক জনস্বার্থে রুজুকৃত রিট মোকদ্দমা নং-৫৪২৭/২০০৮তে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ ৪ সি.এল.আর তে ৫৪ পৃষ্ঠায় উল্লিখিত রায়ে কোর্ট অব ওয়ার্ডস, ভাওয়াল রাজ এস্টেট বাতিল ঘোষণাপূর্বক এ মর্মে সিদ্ধান্ত দেন যে, ভাওয়াল জমিদারদের কোনো ওয়ারিশান বাংলাদেশে অবস্থান না করায় বাংলাদেশের শাসনতন্ত্রের আর্টিক্যাল ১৪৩(সি) এবং জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ আইনের ৯২ ধারার বিধানমতে উহার রিটেইনেবল চয়েজ খাস সম্পত্তির মালিক হইবেন বাংলাদেশ সরকার এবং সেই কারণে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ বাংলাদেশ সরকারকে ভাওয়াল রাজ এস্টেটের retainable khas  সম্পত্তির চয়েজ তালিকায় উল্লিখিত সম্পত্তিগুলি সরকারী খাস সম্পত্তি হিসাবে গণ্যে ১ নং খাস খতিয়ানে নেওয়ার জন্য সরকার এবং ভূমি সংস্কার বোর্ডকে নির্দেশ দিলে বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয় মহামান্য  কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের ঐরূপ নির্দেশ মানিয়া নিয়া উহার ভূমি রাজস্ব বিভাগে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের বরাবরে ভাওয়াল রাজ এস্টেটের চয়েজ তালিকাভুক্ত সকল খাস সম্পত্তি সরকারী খাস হিসাবে গণ্য করণার্থে ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্মারক ও বিবিধ মোকদ্দমা রুজুতে উহার অধিকাংশ সম্পত্তিই সরকারের ১ নং খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করিয়াছেন এবং বাদবাকি চয়েজ তালিকাভুক্ত সম্পত্তিও সরকার কর্তৃক সরকারী খাস সম্পত্তি হিসাবে গণ্য করার প্রক্রিয়াধীন আছে।

মহামান্য কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক ঐরূপ খাসকরণের রায় এবং সরকার কর্তৃক উক্ত রায় মানিয়া নেওয়ার প্রেক্ষিতে বর্তমানে মূলত ভাওয়াল ‘কোর্ট অব ওয়ার্ডস’-এর কোনো আইনগ অস্তিত্ব আর অবশিষ্ট নাই।

১৩। ‘কোর্ট অব ওয়ার্ডস, ঢাকা নবাব এস্টেট’-এর ব্যবস্থাপনায় থাকা সম্পত্তির বর্তমান অবস্থা। 

১৯৫০ ইং সনের জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ আইন এবং ১৮৭৯ ইং সনের কোর্ট অব ওয়ার্ডস আইনতে সংযোজিত ৮এ ধারা, পি.ও ৯০/১৯৭২-এর বিধান এবং সর্বোপরি ইতিপূর্বে উল্লিখিত সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের নির্দেশনাগুলি কোর্ট অব ওয়ার্ডস নবাব এস্টেটের ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রযোজ্য হওয়ায় উক্ত এস্টেটের সম্পত্তির ক্ষেত্রে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ আইন কার্যকরী করণার্থে তৎকালীন সরকার নবাব এস্টেটের সম্পত্তিকেও একইরূপ যথাক্রমে- রিটেইনেবল চয়েজ খাস, নন-রিটেইনেবল খাস এবং প্রজাবিলি সম্পত্তিরূপে ৩ ভাগে বিভক্ত করিয়া দ্বিতীয়োক্ত ও তৃতীয়োক্ত সম্পত্তির বিপরীতে আলাদা আলাদা ২টি গেজেট প্রকাশে দ্বিতীয়োক্ত গেজেটভুক্ত নন-রিটেইনেবল খাস সম্পত্তির মালিক হন সরকার এবং তৃতীয়োক্ত প্রজাবিলি গেজেটভুক্ত রায়তি সম্পত্তির মালিক দখলকার হন সাধারণ প্রজাগণ এবং প্রথমোক্ত চয়েজ তালিকাভুক্ত খাস সম্পত্তির মালিক দখলকার হন সাবেক জমিদার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ বাহাদুর পক্ষে- কোর্ট অব ওয়ার্ডস। ঐরূপ আলাদা আলাদা সম্পত্তির বিপরীতে সরকার কর্তৃক ঘোষিত আলাদা আলাদা ৩ প্রকার মালিকদের নামে আলাদা আলাদা এস.এ খতিয়ান প্রস্তুতে যার যার নামের রেকর্ডকৃত এস.এ খতিয়ানে মালিকানা অর্জনের ভিত্তি হিসাবে যথাক্রমে- সরকারের উপর মালিক হিসাবে অর্পিত নন-রিটেইনেবল খাস সম্পত্তির বিপরীতে প্রস্তুতকৃত এস.এ খতিয়ানতে ২০ ধারা বা গভর্মেন্ট একোয়ার সূত্রে মালিক। অন্যদিকে জমিদারের উপর মালিক হিসাবে অর্পিত রিটেইনেবল চয়েজ তালিকাভুক্ত সম্পত্তির বিপরীতে প্রস্তুতকৃত এস.এ খতিয়ানতে ২৩ (১) ধারা বা রিটেইনেবল খাস সূত্রে মালিক এবং প্রজাবিলি গেজেটে উল্লিখিত সাধারণ প্রজাদের উপর মালিক হিসাবে অর্পিত সম্পত্তির বিপরীতে প্রস্তুতকৃত এস.এ খতিয়ানতে ২৪(১) ধারা বা প্রজাইস্বত্বে মালিকরূপে উল্লিখিত হয়। ঐরূপ ৩ প্রকার খতিয়ানতে ৩ প্রকার  মালিকানা উল্লিখিত হওয়ার পর সরকার কর্তৃক নবাব এস্টেটের ৩ ভাগে বিভক্তকৃত ও তৎমতে রেকর্ডকৃত সম্পত্তির মধ্যে নিজের উপর অর্পিত সম্পত্তি বাদে অন্য ২ প্রকার সম্পত্তির মালিকদেরকে ৮১ ধারামতে সরকারের অধীনে সাধারণ প্রজা বা মালিক হিসাবে ঘোষণাক্রমে উভয়ের নিকট হইতে তাহাদের নামে প্রস্তুতকৃত এস.এ খতিয়ানতে সমহারে ধার্যকৃত খাজনা গ্রহণ শুরু করে। কোর্ট অব ওয়ার্ডস-এর ব্যবস্থাপনায় থাকা রিটেইনেবল চয়েজ খাস সম্পত্তির বেনিফিশিয়ারি নবাব স্যার সলিমুল্লাহ বাহাদুরের ওয়ারিশানগণ বাংলাদেশে এখনো বসবাস করায় ও থাকায় উহার আয়-উন্নতির অর্থ পূর্ববৎ তাহার ওয়ারিশানগণ ভাতার মাধ্যমে কোর্ট অব ওয়ার্ডস-এর নিকট হইতে প্রাপ্ত হইতে থাকেন ও আছেন। তবে নবাব স্যার সলিমুল্লাহ বাহাদুরের উক্ত ওয়ারিশানগণ রিটেইনেবল খাস সম্পত্তির চয়েজ তালিকা কার্যকরীক্রমে নবাব স্যার সলিমুল্লাহ বাহাদুর পক্ষে- কোর্ট অব ওয়ার্ডস-এর নামে এস.এ রেকর্ডে রেকর্ডকৃত সম্পত্তি আর কোর্ট অব ওয়ার্ডস-এর ব্যবস্থাপনায় রাখতে আগ্রহী নন মর্মে জানাইয়া ভূমি সংস্কার বোর্ডের নিকট ইতিমধ্যে আবেদন করিয়াছেন মর্মে জানা যায়। অন্যদিকে কোর্ট অব ওয়ার্ডস নবাব এস্টেটতে নিয়োজিত সরকারী কর্মকর্তাগণ তাহাদের কর্তৃক নবাব এস্টেটের পক্ষে প্রদত্ত চয়েজ তালিকায় উল্লিখিত সম্পত্তির বাহিরে প্রজাবিলি গেজেটভুক্ত রায়তিস্বত্বে মালিকদের সম্পত্তিতে অন্যায় ও বেআইনি মালিকানা দাবি করিয়া এস.এ ও আর.এস রেকর্ডীয় রায়তি স্বত্বের মালিকদের হয়রানি করিতে থাকিলে প্রজাইস্বত্বের কতিপয় ক্ষতিগ্রস্ত মালিক কোর্ট অব ওয়ার্ডসতে নিয়োজিত সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধেও মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে বিভিন্ন আদালত অবমাননার (Contempt of Court) মোকদ্দমা রুজুতে রুল প্রাপ্ত হন যাহা এখনো বিচারাধীন আছে।

উপসংহার : ঐ অবস্থায় আমার সুস্পষ্ট বক্তব্য হইতেছে যে, সরকারী সংস্থা কোর্ট অব ওয়ার্ডস নবাব এস্টেটতে নিয়োজিত সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ যেন নবাব এস্টেটের পক্ষে প্রদত্ত চয়েজ তালিকায় উল্লিখিত খাস সম্পত্তির সীমার মধ্যে তাহাদের ব্যবস্থাপনা সীমাবদ্ধ রাখেন এবং অন্যায়ভাবে যেন নবাব এস্টেটের প্রজাবিলি গেজেটতে উল্লিখিত সম্পত্তিতে দখলে থাকা সাধারণ প্রজাইস্বত্বের এস.এ ও আর.এস রেকর্ডীয় মালিকদেরকে তাহাদের উক্ত ব্যক্তি মালিকানায় রেকর্ডীয় সম্পত্তিতে বেআইনি মালিকানা দাবিতে বিনা কারণে অযথা হয়রানি না করেন। কোন প্রজাইস্বত্বে এস.এ ও আর.এস রেকর্ডীয় মালিক কোর্ট অব ওয়ার্ডস এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্বারা ঐরূপ বেআইনি হয়রানির স্বীকার হইলে এবং তাহার বা তাহাদের নিকট প্রজাবিলি সম্পত্তির গেজেট, নন-রিটেইনেবল সম্পত্তির গেজেট এবং চয়েজ তালিকা না থাকলে সরকারের ডি.সি অফিসের এস.এ শাখা হইতে তাহারা উহাদের সহি মহুরী নকল উঠাইয়া নিতে পারেন। আর ডি.সি অফিসের কর্মকর্তাগণ ঐগুলির সহি মহুরী নকল দিতে না চাহিলে প্রজাইস্বত্বে এস.এ ও আর.এস রেকর্ডীয় ক্ষতিগ্রস্ত মালিকগণ আমার নিকট থাকা ঐগুলির ফটোকপি গ্রহণ করিয়া কোর্ট অব ওয়ার্ডস নবাব এস্টেটের নিয়োজিত সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবৈধ ও বেআইনি দাবি আইন আদালতের মাধ্যমে প্রতিহত করতে পারেন।

লেখক: সিনিয়র অ্যাডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত