লালমনিরহাটের বুড়িমারী থেকে ‘লালমনি এক্সপ্রেস’ ও ‘বুড়িমারী এক্সপ্রেস’ আন্তঃনগর ট্রেন চলাচলের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছেন আন্দোলনকারীরা।
সোমবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে হাতীবান্ধার মেডিকেল মোড় এলাকায় মহাসড়কের পাশে মঞ্চ তৈরি করে আন্দোলনে বসেন স্থানীয়রা। এতে হাতীবান্ধার দুই প্রান্তে প্রায় চার কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী ও পণ্যবাহী ট্রাকগুলো। ‘বুড়িমারী-ঢাকা আন্তঃনগর ট্রেন বাস্তবায়ন আন্দোলন পরিষদের ব্যানারে চলা এ কর্মসূচিতে অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
আন্দোলনকারীরা জানান, দেশের দীর্ঘতম জেলা লালমনিরহাটের পাঁচটি উপজেলার মধ্যে বুড়িমারী স্থলবন্দর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। অথচ লালমনিরহাট শহর থেকেই শুধু আন্তঃনগর ট্রেন যাত্রা করায় বুড়িমারীসহ চার উপজেলার যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।
বুড়িমারী থেকে আন্তঃনগর ট্রেন চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল রেল কর্তৃপক্ষ। এমনকি টিকিট বিক্রিও শুরু হয়েছিল, কিন্তু যাত্রার আগেই তা স্থগিত করা হয়। এতে বিক্ষুব্ধ হয়ে টানা আটদিন ধরে রেলপথ অবরোধ করে রেখেছেন স্থানীয়রা। এখন রেলপথের পাশাপাশি মহাসড়কও অবরোধ করা হয়েছে।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন আন্দোলন পরিষদের সমন্বয়ক এম সাহিদুজ্জামান কোয়েল, ফিরোজ হোসেন, নিশাত ফারুক, সামসুল আলম খান বুলেট, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মহসিন আলম, রানা ও তাওহীদসহ আরও অনেকে।
আন্দোলনকারীদের একজন সাংবাদিক নিশাত ফারুক। তিনি বলেন, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জেলার ৪টি উপজেলার মানুষের সঙ্গে ধোঁকাবাজি করেছে। ট্রেন সরাসরি বুড়িমারী থেকে চালানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও তারা কথা রাখেনি। সে কারণে আমরা নায্য দাবি আদায়ে রাজপথে নেমেছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাব।
এ রিপোর্ট সন্ধ্যা সোয়া ছয়টায় লেখার সময় বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার জন্য জেলা প্রসাশনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসেছেন।
রোটারি ইন্টারন্যাশনালের কার্যক্রম আরো জোরদার করা হবে
লাইসেন্স পেল স্টারলিংক