নারী ফুটবলের সাম্প্রতিক অস্থিরতার মাঝেই মিলল কিছুটা স্বস্তির খবর। বিদ্রোহের ঘটনায় জাতীয় দল থেকে ছিটকে পড়া ১৮ নারী ফুটবলারের মধ্যে ৮ জনকে নতুন চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। গত শনিবার এই আটজনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি করেছে বাফুফে।
বিষয়টি দেশ রূপান্তরকে নিশ্চিত করেছেন বাফুফের সদস্য ও নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ। তিনি জানিয়েছেন, ‘১৮ জনের মধ্যে দেশে থাকা ৮ জনের সঙ্গে চুক্তি হয়ে গেছে। বাকিদের সঙ্গেও হবে।’
চুক্তিতে ফেরা ফুটবলাররা হলেন শিউলি আজিম, তহুরা খাতুন, মোসাম্মাৎ সাগরিকা, শামসুন্নাহার জুনিয়র, নিলুফা ইয়াসমিন, স্বর্ণা রানী, সাথী বিশ্বাস ও নাসরিন আক্তার।
বাফুফের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রে জানা গেছে, নতুন চুক্তিতে তাদের বেতনও বাড়ানো হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এদের মধ্যে চারজনের বেতন ৫ হাজার টাকা করে বাড়িয়ে ৫৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। একজন পাচ্ছেন ২৫ হাজার এবং বাকি তিনজনের বেতন নির্ধারিত হয়েছে ৩০ হাজার টাকা করে। এই চুক্তির কার্যকারিতা ধরা হয়েছে ৮ এপ্রিল থেকে, যেদিন তারা অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন।
এর আগে, গত ১০ ফেব্রুয়ারি বাফুফে ৩৬ নারী ফুটবলারের সঙ্গে ছয় মাসের চুক্তি করলেও বাদ পড়েছিলেন পিটার বাটলারের কোচিং নিয়ে প্রশ্ন তোলা বিদ্রোহী ফুটবলাররা। ফলে এই নতুন চুক্তির মাধ্যমে অন্তত ৮ জন সেই দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেলেন।
এদিকে, বিদেশি লিগে খেলতে যাওয়া বিদ্রোহী ১০ ফুটবলারের সঙ্গে এখনই কোনো চুক্তি করেনি বাফুফে। ভুটানের ক্লাব লিগে খেলা এই ফুটবলাররা হলেন মনিকা চাকমা, মাসুরা পারভীন, মারিয়া মান্দা, মাতসুশিমা সুমাইয়া, শামসুন্নাহার সিনিয়র, কৃষ্ণা রানী, রুপনা চাকমা, সানজিদা আক্তার, সাবিনা খাতুন ও ঋতুপর্ণা চাকমা। তবে দেশে ফেরার পর তাদের নিয়েও সিদ্ধান্ত নিতে পারে বাফুফের নারী ফুটবল উইং।.
২০২২ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের পর থেকেই নিয়মিত বেতন-ভাতা দাবি করে আসছিলেন নারী ফুটবলাররা। তারই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের আগস্টে ৩১ ফুটবলারের সঙ্গে প্রথম চুক্তি করেছিল বাফুফে, যা পরবর্তীতে নবায়ন হয়েছিল। তবে গত বছরের অক্টোবরের পর থেকে আর বেতন পাননি ফুটবলাররা।
প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেই রিশাদের রেকর্ড
খালেদ-শরিফুলে দুর্দান্ত শুরু বাংলাদেশের