চিনির বিকল্প কী খাবেন

আপডেট : ০৯ মে ২০২৫, ১২:১১ এএম

অধিক চিনি বা শর্করা জাতীয় খাবার থেকে শরীরে নানা সমস্যা হতে পারে। প্রতিদিনকার খাবারে চিনির অতিরিক্ত উপস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। অতিরিক্ত শর্করা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। মেদ ঝরাতে প্রতিদিনকার খাদ্যতালিকায় চিনিকে নিয়ন্ত্রণ করতে বলেন পুষ্টিবিদরা। চাইলেও অনেকেই খাবারে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। এ ক্ষেত্রে কিছু বিষয় নিয়ন্ত্রণ করলে চিনি খাওয়ার পরিমাণ কমাতে পারবেন।

অতিরিক্ত চিনি থেকে ডায়াবেটিস, হৃদ্রোগ হতে পারে। আবার মিষ্টি জাতীয় খাবার থেকে সময়ের সঙ্গে দাঁতেরও ক্ষতি হয়। দিনে এক চা চামচ চিনি কম খাওয়া মানে ৯০ দিনে ১৪৪০ ক্যালরির সমান। সারা দিনে কোমল পানীয়ের মাধ্যমে দেহে শর্করা প্রবেশ করে। চা এবং কফিতে চিনির পরিবর্তে মধু বা কোকোনাট সুগার ব্যবহার করা যেতে পারে। পানীয়ের মধ্যে চিনি না ব্যবহার করে মাসে প্রায় ১ কেজি চিনি কম খাওয়া সম্ভব। সকালের নাশতায় মিষ্টি যুক্ত কর্নফ্লেক্স, পাউরুটি, জ্যাম, জেলি খাওয়া উচিত নয়। পরিবর্তে খাবারের সঙ্গে মিষ্টির জন্য প্রাকৃতিক মধু ব্যবহার করা যেতে পারে। এর মাধ্যমে তিন মাসে সকালের নাশতায় প্রায় ২১০ চা চামচ সমান চিনি বাদ দেওয়া সম্ভব। স্ন্যাকস্ বা ডেজার্টের ক্ষেত্রে চিনি কমাতে চকোলেট, আইসক্রিম, মিষ্টি এবং বেকারিজাত খাবার থেকে দূরে থাকা উচিত। কোনো  ডেজার্র্টে মিষ্টির প্রয়োজন হলে ব্রাউন সুগার বা অরগ্যানিক ম্যাপল সিরাপ ব্যবহার করা যেতে পারে।

প্রতিদিন কতটা চিনি খাবেন

ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশনের পরামর্শ অনুযায়ী, খাবারে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় ক্যালরির ১০ শতাংশের কম চিনি থাকা উচিত। প্রতিদিনের খাবারে চিনির পরিমাণ ৫ শতাংশের কম হলে ভালো। উদাহরণস্বরূপ, ২০০০ ক্যালরির দৈনন্দিন ডায়েটে ২৫ গ্রাম বা ৬ চা চামচ থেকে কম চিনি থাকা উচিত। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, প্রতিদিনের ডায়েটে পুরুষদের ক্ষেত্রে ৩৬ গ্রাম  বা ৯ চা চামচ এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে ২৫ গ্রাম বা ৬ চা চামচ চিনি থাকা উচিত। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে তাদের নির্ধারিত খাবারে চিনির মাত্রা ২৫ গ্রাম বা ৬ চা চামচের কম হওয়া উচিত।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত