জিশান আলমের ফিফটির পর চোখ জুড়ানো সেঞ্চুরি করেছিলেন বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের অধিনায়ক আকবর আলী। কিন্তু তার সেঞ্চুরি ম্লান হয়ে গেল মিডল ও লোয়ার অর্ডার ব্যাটারদের অসহায় আত্মসমর্পণে। আকবরের বিদায়ের পর ৩১ রানে শেষ ৬ উইকেট খুঁইয়ে রাজশাহীতে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিংয়ের কাছে ১০ রানে হেরে গেছে বাংলাদেশ।
এদিনও আগে ব্যাটিং করে ৭ উইকেটে ৩৩২ রানের পুঁজি দাঁড় করায় প্রোটিয়ারা। ডিয়ান ফরেস্টে অপরাজিত ৯৬ এবং কনর বয়েড ৯১ রানের ইনিংস খেলেন। এছাড়া ফিফটি করেন আন্ডিল মোগাকানে। বাংলাদেশের হয়ে দুটি করে উইকেট পান রিপন মন্ডল, মারুফ মৃধা ও মাহফুজুর রহমান রাব্বী।
জবাবে মাহফিজুল রবিন ১০ রানে ফিরলেও ৩৪ বলে ৫০ রানের ইনিংস উপহার দেন জিশান আলম। এর পর আরিফুল ইসলামকে নিয়ে ১১১ রানের দারুণ জুটি গড়েন অধিনায়ক আকবর আলী। আরিফুল ফেরেন ৩৫ রানে। পঞ্চম উইকেটে আরেকটি ৯৬ রানের জুটি উপহার দেন আকবর ও তোফায়েল আহমেদের ইনজুরিতে দলে সুযোগ পাওয়া চৌধুরী রিজওয়ান। এই জুটি ভাঙে দলের ২৯১ রানে আকবরের বিদায়ে। ১৪ চার ও ২ ছ্ক্কায় ১১০ বলে ১৩১ রানে ঝকমকে ইনিংস খেলে থামেন আকবর।
তখন বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩০ বলে ৩২ রান, হাতে ছিল ৫ উইকেট। সহজ এ সমীকরণটিই কঠিন হয়ে যায় একের পর এক উইকেট পতনে। ৩৭ রান করা রিজওয়ানের বিদায় দিয়ে শুরু। একে একে রাব্বী, ওয়াসি সিদ্দিকী ও মারুফের উইকেট তুলে নিয়ে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন আন্ডিল সিমেলানে। মাঝে পারভেজ জীবনের উইকেটসহ মোট ৩ উইকেট পান হ্যান্ডসাম মোকোয়েনা। ইনিংসের দুই বল বাকি থাকতেই ৩২২ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। এ জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজটিতে ১-১ এ সমতা আনলেন প্রোটিয়া ইমার্জিং দলের ক্রিকেটাররা।
৬ কোটি রুপিতে আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসে মোস্তাফিজ
আইসিসির মাসসেরা মিরাজ; সাকিব-মুশফিকের পর তৃতীয় বাংলাদেশী