কাশিয়ানীতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে প্রায় ৭ হাজার কোরবানির পশু

আপডেট : ১৫ মে ২০২৫, ০৩:৩৪ পিএম

ঈদুল আযহা উপলক্ষে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলায় কোরবানির জন্য বিভিন্ন খামারে এবং প্রান্তিক পর্যায়ে প্রস্তুত রাখা হয়েছে মোট- ৬ হাজার ৭শ ৭৭ টি কোরবানির পশু। এর মধ্যে গরু-৪ হাজার ৫শত ২৫ টি, ও ছাগল- ২ হাজার ২শত ৫০ টি। 

গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলায় প্রান্তিক পর্যায়ে চাষিরা বেশী লাভের আশায় খামারের পাশাপাশি ব্যক্তি পর্যায়ে  বাড়িতে বাড়িতে পশুর লালন পালন করছেন। কোরবানির ঈদের বেচাকেনা শুরু থেকে শেষ দিকে তারা প্রত্যকেই নিজেদের পশুগুলিকে বেশী দামে বিক্রির আশায় বেশি বেশি যত্ন নিতে কোমর বেঁধে নেমেছে।  

একই ভাবে খামারি ও প্রান্তিক চাষিরা কোরবানির জন্য যে সব পশু প্রস্তুত রেখেছেন সেই পশুগুলিকে কোরবানির হাটে তোলার জন্য বেশী বেশী যত্ন নিচ্ছেন। ক্রেতাদের দৃষ্টি আর্কষনের জন্য যত প্রকার কৌশল আছে তার প্রত্যেকটি প্রয়োগ করছেন খামারি ও প্রান্তিক পর্যায়ের চাষিরা। গৃহ পর্যায়ে পালিত এবং খামারে পালিত পশুর যত্ন দেখে মনে হয় সবাই প্রতিযোগিতায় নেমে পড়েছে। সব মিলে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারি ও প্রান্তিক চাষীরা। ইতিমধ্যে অনেক খামারি এবং প্রান্তিক চাষিরা তাদের পালিত পশু বিক্রি শুরু করেছেন। ঈদুল আজহার প্রায় একমাস মাত্র বাকি। 

একজন খামারি বলেন,পশু বিক্রি প্রথম দিকে দাম কম থাকে। শেষ দিকের হাটে দাম ভালো পাওয়া যায়। এলাকার অনেক খামারি এবং প্রান্তিক চাষিরা বেশী দামের আশায় নিজেদের পালিত পশুগুলি বিক্রির জন্য হাটে তুলবেন । 

উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছরে কাশিয়ানীতে মোট পশুর চাহিদা রয়েছে একক- ২০ হাজার ৩ শ ও পারিবারিক- ৯ হাজার ২শ আনুমানিক মোট ১৩ হাজার ৫০০ পরিবার কোরবানী দিতে পারে। এবছরে কোরবানীর পশুর চাহিদা রয়েছে গরু -৪ হাজার ৫শ ২৫ ছাগল ২ হাজার ২শ ৫০ টি,  তবে প্রস্তুত আছে- ৬ হাজার ৭শ ৭৫ টি কোরবানির পশু।

উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ডা. শুভংকর দত্ত এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘নিয়মিত খামারি ও প্রান্তিক পর্যায়ে আমরা যথেষ্ট সেবা দিয়েছি। আশা করি উপজেলার চাহিদা পূরণ শেষে কিছু প্রাণী উদ্বৃত্ত থাকবে। আগামী বছরে আরও বেশী পশু প্রস্তুত থাকবে। আমাদের উপজেলায় বর্তমানে ১ হাজার ১শ ৪২ টি দুগ্ধ খামার, ৮শ ৪৮ টি মোটা তাজাকরন খামার ৭শ ৯৬ টি ছাগলের খামারে নিয়মিত পশু পালন করা হচ্ছে।’ 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত