শুনানি শেষে এজলাস থেকে হাজতখানায় নেওয়ার পথে যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে হত্যা মামলার এক আসামি পালিয়েছে। রবিবার (১৮ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তার স্ত্রীকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
পলাতক জুয়েল খান মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার রামপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর খানের ছেলে। ২০২১ সালের ১১ ডিসেম্বর মাসে বাঘারপাড়া উপজেলার বুধোপুর গ্রামে ইজিবাইক চালক আল আমিনের লাশ উদ্ধার ও ইজিবাইক ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা হত্যা মামলার আসামি ছিল তিনি।
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুর-ই- আলম সিদ্দিকী জানান, আজ ছিল আল আমিন হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন। এ জন্য জুয়েল খানকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক জয়ন্তী রাণী দাস এজলাসে শুনানি শেষে হাজতখানায় নেওয়ার পথে হ্যান্ডকাপ থেকে হাত গলিয়ে তিনি পালিয়ে যায়। তাকে পাহার দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন পুলিশ কনস্টেবল সোনালী খাতুন।
পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও জানান, এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। কোন দায়িত্বহীনতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পলাতক আসামিকে আটকের চেষ্টা চলছে।
আদালতের পুলিশ পরিদর্শক রোকসানা খাতুন জানান, আসামিদের হাজতখানায় নেওয়ার জন্য আদালত থেকে বের করে আনার সময় কৌশলে পালিয়ে যায় জুয়েল। তাকে আটক করতে পুলিশের একাধিক টিম সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছে।
এদিকে এ ঘটনার পর মাগুরার শালিখা থানার পুলিশ পলাতক জুয়েল খানের স্ত্রী রিয়াকে হেফাজতে নিয়েছে বলে জানান তার (জুয়েলের) শ্বশুর মঞ্জু।
শালিখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া জানান, জুয়েল পলাতকের খবর পেয়ে তার স্ত্রীকে রামপুর গ্রামের বাড়ি থেকে থানা আনা হয়েছে। জুয়েলকে আটকের কৌশল হিসেবে এটি করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজির অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ২ নেতা বহিষ্কার
মেঘনায় জেলের জালে ২৯ কেজির বিগহেড মাছ, সাড়ে ২৪ হাজার টাকা বিক্রি