জেমি ভার্ডিকে লেস্টারের ইতিহাস সেরা ফুটবলার বললেন হামজা

আপডেট : ২০ মে ২০২৫, ০৮:৩১ পিএম

একটা সময় যিনি ছিলেন নন-লিগ ফুটবলের নাম না-জানা এক মুখ, তিনিই একদিন ইতিহাস লিখলেন প্রিমিয়ার লিগে। লেস্টার সিটির সেই রূপকথার অন্যতম নায়ক জেমি ভার্ডি শেষ পর্যন্ত বিদায় বললেন ক্লাবকে। পেছনে ফেলে গেলেন এক মহাকাব্যিক অধ্যায়— ৫০০ ম্যাচ, ২০০ গোল, একটি প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা আর অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত।

গত শনিবার কিং পাওয়ার স্টেডিয়ামে ইপ্সউইচ টাউনের বিপক্ষে জীবনের শেষ ম্যাচটি খেললেন লেস্টারের এই ইংলিশ স্ট্রাইকার। ২৮তম মিনিটে গোল করে পৌঁছে গেলেন ২০০ গোলের মাইলফলকে— আর সেখানেই শেষ তার লেস্টার-পর্ব।

২০১২ সালে মাত্র এক মিলিয়ন পাউন্ডে ফ্লিটউড টাউন থেকে লেস্টারে যোগ দিয়েছিলেন ভার্ডি। তখন অনেকেই তাকে চিনতেন না। কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যেই তিনি হয়ে ওঠেন ক্লাবের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র। ২০১৫-১৬ মৌসুমে তার নেতৃত্বে রচিত হয় ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে রূপকথার এক অধ্যায়— লেস্টার সিটি জিতে নেয় প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা।

সেই মৌসুমে টানা ১১ ম্যাচে গোল করে গড়েন নতুন রেকর্ড। ২০১৯-২০ মৌসুমে হন প্রিমিয়ার লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা। তার অনন্য গোলদক্ষতা, গতি আর আত্মবিশ্বাস তাকে লেস্টার সিটির জীবন্ত কিংবদন্তিতে পরিণত করেছে।

ক্লাব ছাড়ার পর আবেগ ছুঁয়ে যায় পুরো লেস্টার পরিবারকে। ক্লাবে তার সাবেক সতীর্থ বাংলাদেশি মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী নিজেদের ফেসবুক স্টোরিতে তিনি লিখেন, ‘তুমি যেমন বিদায় পাওয়ার যোগ্য ছিলে, ঠিক তেমনটাই পেয়েছো। তুমি লেস্টারের ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়। তোমার মতো আর কেউ হবে না। নতুন জীবনের জন্য অনেক শুভকামনা, ভাই।’

লেস্টার সিটির জার্সিতে তার এই বিদায় কেবল একজন ফুটবলারের নয়, এক যুগের অবসান। তবে জেমি ভার্ডির নাম থাকবেন ইতিহাসের পাতায়— বিশ্বাস, শ্রম আর অধ্যবসায়ের এক অনন্য প্রতীক হয়ে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত