শেষ ওভারে জাকের-হাসানের ২৭ রানে বাংলাদেশ ১৬২/৯

আপডেট : ২২ মে ২০২৫, ১২:০১ এএম

শারজায় আমিরাতের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে ৯ উইকেটে ১৬২ রানের পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ। আর এটুকু সম্বলও জোগাড় হয়েছে শেষ ওভারে ২৭ রান তোলার কল্যাণে। এখন বাকি দায়িত্ব বোলারদের; শারজার মতো ব্যাটিং স্বর্গে শিশির বিবেচনায় যেখানে আগের ম্যাচে দুশোর বেশি লক্ষ্য দিয়েও ম্যাচ হারতে হয়েছে। সেখানে এমন পুঁজিতে আমিরাতের পাওয়ার হিটার ব্যাটারদের আটকে রাখার।  

৩১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলা বাংলাদেশের রানের চাকায় গতি কমতে দেননি তানজিদ হাসান তামিম। টপ অর্ডারের বিপর্যয়ে দাঁড়িয়ে তামিম ছক্কা-বৃষ্টি নামান শারজার মাঠে। মাত্র ১৮ বলে চারটি করে চার ও ছক্কায় ৪০ রান আসে তার ব্যাট থেকে। আর বাকি পথটুকু টেনে নিয়ে যান জাকের ও হাসান মিলে। ছয়ে নামা উইকেটরক্ষক-ব্যাটার জাকের সর্বোচ্চ ৪১ রানের ইনিংস খেলেন। ৩৪ বল খেলে ১ চার ও ৩ ছক্কা হাঁকান তিনি। 

৫৭ রানে নেই ৫ উইকেট,৭১ রানে ৭। ইনিংসের তখন ১১তম ওভার চলে। ১০০'র নিচে অলআউট হওয়ার আশঙ্কা তখন প্রবল, কোনমতে ২০ ওভার পর্যন্ত খেলে আসাই লক্ষ্য। প্রথম দুই ম্যাচে যখন ব্যাটিংয়ে নামেন শামীম হোসেন, তখন বল বাকি ছিল হাতে গোণা। এবার তো অর্ধেকের বেশি ইনিংসই বাকি। অফসাইডের বাইরের বলে খোঁচা দিয়ে আউট হয়েছেন ১২ বলে ৯ রান করে। সহ-অধিনায়ক শেখ মেহেদি হাসান প্রথম ম্যাচে বল হাতে দিয়েছেন ৫৫ আর ব্যাটিংয়ে করেছিলেন ২ রান,দ্বিতীয় ম্যাচে বাদ পড়ে শেষ ম্যাচে ফিরে এসেও তার ২ রান। আগের বার ৫ বলে আর এবার ৯ বলে।

জাকেরের বিদায়ের পর চমৎকার দুটো ক্যামিও এসেছে দুই পেসারের ব্যাট থেকে। ১৫ বলে ২৬ রান হাসান মাহমুদের তাতে ৩টা চারের মার। শরিফুল ৭ বলে ১৬, একটা করে চার ও ছক্কা। দুই বোলারের ছোট তবে কার্যকর দুটো ইনিংসের কল্যাণেই বাংলাদেশের রানটা দেড়শ ছাড়িয়েছে, বোলাররা পেয়েছে লড়াইয়ের পুঁজি। ২০ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান হয়েছে ৯ উইকেটে ১৬২ রান।

আমিরাতের বামহাতি স্পিনার হায়দার আলি নিয়েছেন ৩ উইকেট, জোড়া শিকার মতিউল্লাহ খান ও সগির খানের। রানতাড়ায় নামা আমিরাতকে প্রথম ঝটকাটা দিয়েছেন শরিফুল ইসলাম। মাত্র ৯ রানেই থামিয়ে দিয়েছেন আমিরাত অধিনায়ক মোহাম্মদ ওয়াসিমকে। মোহাম্মদ জোহাইব ও আলিশান শারাফুর ব্যাটে লড়ছিল আমিরাত।

 

 

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত