দেশের তৈরি খেলা বিশ্বের ৮৮টি দেশের রপ্তানি হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ প্লাস্টিক গুডস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজিএমইএ)। শুধু বিদেশ যাচ্ছে তাই নয়, দেশেই এখন ৪০ হাজার কোটি টাকার খেলনার বাজার গড়ে উঠেছে বলে জানিয়েছে প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানিকারকদের এ সংগঠনটি।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে দুদিনব্যাপী টয় এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিপিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালযের সচিব মাহবুবুর রহমান, এ সময় বিপিজিএমইএ’র সভাপতি শামীম আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। যৌথভাবে এই এক্সপোর আয়োজন করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিপিজিএমইএ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস (ইসিফোরজে)। এতে অংশ নিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসহ ৩০টি প্রতিষ্ঠান। ‘শোকেসিং অ্যান্ড সোর্সিং শো অন প্লাস্টিক টয় ইন্ডাস্ট্রিজ অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক টয় এক্সপো শেষ হবে আজ শুক্রবার।
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান বলেন, গাজীপুরে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ও খেলনার ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ তৈরির জন্য কারখানা করা হচ্ছে। আশা করছি, আগামী এক বছর পর প্লাস্টিকের খেলনা শিল্প আরও দ্রুতগতিতে এগোতে পারবে, উৎপাদকরা আমার কাছে কিছু নীতিসহায়তা চেয়েছেন।
খেলনা শিল্প এগিয়ে নিতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, দরকার হলে তাদের জন্য বিশেষ সুযোগ দেওয়া হবে। তবে বাংলাদেশের প্লাস্টিকের খেলনা এতদূর এগিয়েছে, এটা আমার ধারণা বাইরে ছিল। আমাদের আরও এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
বিপিজিএমইএ’র সভাপতি শামীম আহমেদ বলেন, বিশ্বের ৮৮ দেশে যাচ্ছে বাংলাদেশে তৈরি খেলনা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ ২ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের খেলনা রপ্তানি করেছে। বাংলাদেশে খেলনার বাজার প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার। প্রায় পাঁচ হাজার প্রতিষ্ঠান খেলনা প্রস্তুত করছে, এ খাতে জড়িত প্রায় দেড় লাখ মানুষ।
