খন্দকার মোশাররফ বললেন

শুধু বিএনপি নির্বাচন চায়- ড. ইউনূসের এই কথায় মর্মাহত হয়েছি

আপডেট : ০১ জুন ২০২৫, ০৩:৩৭ পিএম

কেবল বিএনপি নয়, দেশের ৫২টি রাজনৈতিক দল চলতি বছরের ডিসেম্বরেই সংসদ নির্বাচন চায় বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

আজ রবিবার দুপুরে এক আলোচনাসভায় জাপানের নিক্কেই এশিয়া ফোরামে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের দেওয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি একথা বলেন।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, নির্বাচন ডিসেম্বরে হলে নির্বাচন কমিশনের সুবিধা, সরকারের সুবিধা, জনগণেরও সুবিধা। সেটা আমরা যুক্তি দেখিয়েছি। যদি অন্য কোনো যুক্তি থাকে সরকার পরিষ্কার করুক। করে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করুক। সেটা ছিল তাদের দায়িত্ব। কিন্তু তারা সেটা না করে বিদেশে গিয়ে বলেছেন, শুধুমাত্র বিএনপি নির্বাচন চায় এটা সঠিক না।

জাপান সফরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মন্তব্যে বিএনপি হতাশ হয়েছে উল্লেখ করে মোশাররফ হোসেন বলেন, ড. ইউনূসকে আমরা সবাই সম্মান করি। কিন্তু তিনি বিদেশে গিয়ে বললেন, শুধু বিএনপি নাকি নির্বাচন চায়, আর কেউ চায় না। তার এই বক্তব্যে আমরা মর্মাহত হয়েছি। বিএনপি ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন চেয়েছে। ৫৪টি রাজনৈতিক দল নির্বাচন চেয়েছে।

তিনি বলেন, ১৬ বছর যাবৎ জনগণ ভোটের অধিকার পায় না, ডিসেম্বরে নির্বাচন দিয়ে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে সসম্মানে যেতে পারেন।

তিনি বলেন, ঐকমত্যের জন্য প্রধান উপদেষ্টা আবারও দ্বিতীয়বারের মতো আলোচনা শুরু করবেন। বিএনপি যাবে, কিন্তু গেলেই বা কী করা যাবে। মিনিমাম যে সংস্কারে সব রাজনৈতিক দলগুলো একমত আছে, তা নিয়ে নির্বাচনমুখী হন।

বিএনপির এ জ্যেষ্ঠ নেতা আরও বলেন, বিদেশের নাগরিকদের ভুলপথে পরিচালিত করবেন, জাতিকে দ্বিধাবিভক্ত করবেন! যারা বিতর্কিত উপদেষ্টা তাদের বাদ দিয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাই।

সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহ্বায়ক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব কাদের গণি চৌধুরীর সঞ্চালনায় আলোচনাসভায় অধ্যাপক আবদুল লতিফ মাসুম, অধ্যাপক শামসুল আলম সেলিম, ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের আনহ আখতার হোসেন, অবসরপ্রাপ্ত বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এ কে এম শামসুল ইসলাম শামস, এমবিএ অ্যাসোসিয়েশনের সৈয়দ আলমগীর, শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্য জোটের সেলিম ভুঁইয়া, জাকির হোসেন, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জল, এগ্রিকালচারিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের শামীমুর রহমান শামীম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের এ কে এম মহসিন, রাশেদুল হক, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের অ্যাডভোকেট আবেদ রেজা, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের ফখরুল আলম, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাইফুজ্জামান সান্টু, ডিপ্লোমা এগ্রিকালচারিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের জিয়াউল হায়দার পলাশ, নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের জাহানারা বেগম, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের এ কে এম মুসা, ফিজিওথ্যারাপিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের তানভীরুল আলম, ইউনানী আয়ুর্বেদিক গ্রাজুয়েট ডক্টরস অ্যাসেসিয়েশনের মির্জা লুৎফুর রহমান লিটন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত