খুলনা বিএনপি

এই বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন হবে

আপডেট : ০২ জুন ২০২৫, ০৮:৪৫ পিএম

২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট রাজস্ব আয়ের সঙ্গে সম্পর্ক নেই। ব্যাংক থেকে সরকার যদি লোন নেয়, তখন প্রাইভেট সেক্টরে বিনিয়োগ হয় না। রাজস্ব আয়ের পুরোটাই পরিচালনা ব্যয়ে চলে যাবে। রাজস্ব আয়ের ওপর ভিত্তি করে বাজেট করা উচিত। বাজেটে মৌলিক জায়গায় দূরত্ব রয়েছে। গুণগত দিক থেকে কোনও পরিবর্তন নাই। কাঠামোগত আগেরটাই রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি।

আজ সোমবার (২ জুন) বাজেট প্রতিক্রিয়ায় প্রদত্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য এই বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন হবে। আগের বাজেট যেভাবে চলে আসছে, সেখান থেকে সংখ্যার তারতম্য হয়েছে। কিন্তু বাজেটের পিন্সিপাল একই রয়ে গেছে। বিগত সরকারের ধারাবাহিকতা থেকে অন্তর্বর্তী সরকার বের হতে পারেনি। রাজস্ব আয়ের ওপর ভিত্তি করে বাজেট করা উচিত। তাহলে প্রাইভেট সেক্টরে টাকার সরবরাহ থাকবে, বিনিয়োগ থাকবে, ইন্টারেস্ট কমে আসত, বিদেশি ঋণের পরিমাণ কমে আসতো ও সুদের হারও কম পেমেন্ট করতে হতো।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা সীমিত, কারণ তাদের একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে তাদের ক্ষমতায় থাকার মেয়াদের ব্যবধান রয়েছে- এটা মাথায় রাখতে হবে। বিগত সরকার বাজেটের আকার বাড়াতে বাড়াতে যে জায়গায় নিয়ে গেছে, সেটার সঙ্গে রাজস্ব আয়ের কোনও সম্পর্ক নেই। রাজস্ব আয়ের পুরোটাই পরিচালনা ব্যয়ের মধ্যে ব্যয় হয়ে যাবে। উন্নয়ন বাজেট দেশের ভেতর বা বাইরে থেকে ঋণ নিয়ে চালাতে হচ্ছে। সরকার দেশের বাহির থেকে ঋণ নিলে এর বোঝা বাড়তে থাকে এবং বছরের পর বছর দেশের মানুষকে এই সুদ দিতে হয়। সেই কারণেই দেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো ভুগতে থাকে। আর দেশের ভেতরের থেকে নিলে আবার বেশি ক্ষতি। কারণ দেশের ব্যাংক থেকে লোন নিলে সুদ বেড়ে যায়। আবার ব্যক্তি খাতে লোনও কমে যায়। এর ফলে দেশে বিনিয়োগ হয় না, কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয় না, মানুষের আয় বৃদ্ধি পায় না। প্রাইভেট সেক্টর লোন না পেয়ে অনেকে বিনিয়োগও করতে পারে না।

বিএনপি নেতারা আরও বলেন, প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবতা বিবর্জিত এবং এতে গুণগত কিংবা কাঠামোগত কোনও পরিবর্তন নেই।

বিবৃতিদাতারা হলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাড. শফিকুল আলম মনা, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাড. মোমরেজুল ইসলাম প্রমুখ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত