দিনাজপুরের পার্বতীপুরে কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ঘড়বাড়ি, টিনের চালা, গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙ্গে গেছে। উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ৭৮ হাজার গ্রাহকের মাঝে ২০ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
দিনাজপুর পল্লীবিদ্যুৎ-২ পার্বতীপুর জোনাল অফিস বলেছে, মঙ্গলবার (৩ জুন) রাত ১২টার পর এসব প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হবে।
গতকাল সোমবার (২ জুন) রাত ১১টা থেকে শুরু হওয়া ঘণ্টাব্যাপী কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌর সভার বিভিন্ন গাছপালা, আধাকাচাঁ ঘড়বাড়ি, টিনের চালা উড়ে যায়।
পার্বতীপুর জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, রাত ১২টার দিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হবে আশা করছি। এ উপজেলায় পল্লীবিদ্যুতের আওতায় ৭৮ হাজার গ্রাহক রয়েছে। বিভিন্ন প্রকারের বড় বড় গাছপালা উপড়ে পড়ে ১১ হাজার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের তারের উপর পড়ে ২০টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙ্গে যায়। বৈদ্যুতিক খুঁটি ও তার ছিড়ে যাওয়ায় সেগুলো মেরামত করতে মাঠে ৫০ জন লোক কাজ করছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে প্রত্যন্ত পল্লীতে বিদ্যুৎ চালু করা সম্ভব হয়নি। উপজেলার মন্মথপুর ইউনিয়নের দ্যাগলাগঞ্জ, শহরের সরকারপাড়া, রামপুর, রামপুর মাঝাপাড়া, মমিনপুর ইউনিয়ন, হরিরামপুর ইউনিয়নে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
পার্বতীপুর আবাসিক প্রকৌশলী (নেসকো) উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মাসুদ পারভেজ বলেন, সকাল ১০টা ২০ মিনিটে শহরের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে। নেসকোর আওতায় প্রায় ৩৫ হাজার গ্রাহক রয়েছে। রাত ১২টা থেকে আমরা পার্বতীপুরের বিভিন্ন স্থানে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। সন্ধ্যার আগে শহরের বাহিরে সরকারপাড়া ও ভাটিপাড়া এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করার চেষ্টা করছি।
পার্বতীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রাজিব হোসাইন জানান, ঝড়ে লিচু, আমের পাশাপাশি কলার ক্ষতি হয়েছে। তবে, সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।
এ ব্যাপারে পার্বতীপুর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাদ্দাম হোসেন জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে পিআইও মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তালিকা চাওয়া হয়েছে। তালিকা পেলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে পুনর্বাসন ব্যবস্থা করা হবে।
পুশইন ঠেকানো সম্ভব নয়, দিল্লিকে চিঠি দেবে ঢাকা
জামালপুরে মানুষের মাথার খুলি ও হাড় উদ্ধার
এফবিসিসিআই’র নির্বাচন বোর্ড গঠন করল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়