এখন ইলিশের ভরা মৌসুম। এ সময়ে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ার কথা থাকলেও রায়পুরের মেঘনা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। এতে করে মাছ ঘাটগুলোতে অলস সময় পার করছেন জেলে ও আড়তদাররা। মাছ না পাওয়ায় হতাশ জেলেরা। আড়তগুলো খালি পড়ে আছে। ঘাটে ইলিশ কিনতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন উৎসাহী ক্রেতারা।
জানা যায়, রায়পুরে প্রায় ৯ হাজার জেলে রয়েছে। এদের মধ্যে নিবন্ধিত ৬ হাজার। এদের সবাই মেঘনা নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে।
মেঘনা নদীর পাড়ে ছোট-বড় প্রায় ১০টি মাছ ঘাটে জেলেরা মাছ না পাওয়ায় অলস সময় পার করছেন। ইলিশের এমন দুর্দিনে অনেকটা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে মৎস্য ব্যবসায়ী ও জেলেরা। মেঘনা নদীতে নাব্যতা সংকট ও ডুবোচরের কারণে সাগর থেকে ইলিশ আসার পথে বাধার মুখে পড়ছে। এ কারণে মেঘনায় মাছ ধরা পড়ছেনা। আবার সামান্য ইলিশ ধরা পড়লেও তা আকাশ ছোঁয়া দাম। এক কেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২৮০০ থেকে ৩০০০ টাকা। তবে মাস শেষে ইলিশ ধরা পড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছে মৎস্য বিভাগ।
স্থানীয় জেলে ও আড়তদাররা জানান, দিন-রাত নদীতে জাল ফেলে যে মাছ পাওয়া যাচ্ছে, তা দিয়ে ইঞ্জিন চালিত নৌকার তেলের খরচও মিলছেনা। রোদ বৃষ্টিতে নদীতে খাটলেও মিলছেনা প্রত্যাশিত ইলিশ। এ পরিস্থিতিতে নদীতে যেতে আগ্রহ হারাচ্ছেন মেঘনা পাড়ের জেলেরা। পর্যাপ্ত ইলিশ ধরা না পড়ায় মাছঘাটে নেই প্রাণ। জমছে না ইলিশের হাট। বাজারে ইলিশের সরবরাহ নাই বললেই চলে। তাই সামান্য কিছু ইলিশ পেলেও দাম চড়া।
রায়পুর মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকার কর্মকর্তা মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, নদীতে ডুবোচর ও নাব্যতা সংকটের কারণে ইলিশ চলাচলে বাধার সৃষ্টি হয়। প্রচুর বৃষ্টিপাত ও নদীতে পানি বাড়লে ইলিশ ধরা পড়বে। নদীর মোহনা থেকে এখন গভীর সমুদ্রে চলে গেছে ইলিশ।
ছাদে উঠলেই ব্যবস্থা, জানালা দিয়েও ঢোকা যাবে না: রেল উপদেষ্টা
খালেদা জিয়ার জন্য ১৪০০ কেজির ‘কালো মানিক’ নিয়ে ঢাকার পথে সোহাগ