মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, এ বছর ঈদুল আজহা উদযাপনকালে যাতায়াত, কোরবানি, কোরবানির মাংস ব্যবস্থাপনাসহ সার্বিক পরিস্থিতি যেকোনও বছরের তুলনায় স্বস্তিদায়ক ছিল।
আজ রবিবার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সাথে ঈদপরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি একথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় বিশেষ করে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সারা বছর বিভিন্ন বিষয়ে খামারিদের সহযোগিতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো এ বছর কোরবানিতে প্রতিবেশি কোনও রাষ্ট্র থেকে গবাদি পশু আমদানি করা হয়নি। ফলে দেশীয় খামারিদের অনেক বেশি গরু বিক্রি হয়েছে।
তিনি বলেন, গবাদিপশুর চামড়ার ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল তা সঠিক ও যৌক্তিক। আমরা দেখতে পেয়েছি এতিমখানা ও মাদরাসাগুলো কোরবানির পশুর চামড়া নিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে লবণ সরবরাহ করা হলেও পশুর চামড়া সংরক্ষণে অভিজ্ঞতা না থাকার কারণে কিছুটা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল। চামড়ার দাম কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় না থাকলেও পূর্বের যেকোনও বছরের চেয়ে তুলনামূলকভাবে ভালো ছিল।
উপদেষ্টা মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর-সংস্থাসমূহকে গতিশীল ও যুগোপযোগী করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান। শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইরান-ইসরায়েলের মধ্যে শিগগিরই শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে: ট্রাম্প