গাজীপুরের শ্রীপুরে বেশি বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এক কিশোরী (১৫) পোশাক শ্রমিককে কৌশলে এক বেসরকারি ব্যাংকের একটি এটিএম বুথের ভেতরে নিয়ে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (১৫ জুন) সকালে তেলিহাটি ইউনিয়নের মুলাইদ গ্রামের তালহা স্পিনিং মিলস এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। কারখানার পাশেই বেসরকারি এটিএম বুথটি রয়েছে।
পরে এ ঘটনায় ওই দিন বিকালে মামলা দায়ের করেন নির্যাতনে শিকার কিশোরীর বাবা।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম লিটন মিয়া (৪০)। তিনি মুলাইদ গ্রামের আতাবুদ্দিন মুসার বাড়ির ভাড়াটিয়া ও ওই এটিএম বুথের নিরাপত্তাকর্মী হিসাবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত লিটন মিয়া পলাতক রয়েছেন। তবে তার বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।
পুলিশ বলছে অধিক গুরুত্ব দিয়ে মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্তকে ধরতে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ শুরু করছে। দ্রুত সময়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।
নির্যাতনে শিকার ওই কিশোরীর বাড়ি নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার একটি গ্রামে। তিনি বাবা-মার সঙ্গে মুলাইদ গ্রামের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন। কিশোরীর বাবা-মা পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। তিনি স্পিনিং মিলে চাকরি করেন।
নির্যাতনে শিকার কিশোরীর বাবা বলেন, আমি মাঝে মধ্যেই ওই বুথে স্ত্রীর এটিএম কার্ড দিয়ে টাকা তোলার জন্য যাওয়া আসা করতাম। আমার মেয়েও অল্প টাকায় একটি কারখানায় চাকরি করেন। এক সময় ওই বুথের নিরাপত্তা কর্মী লিটনের সঙ্গে আমাদের পারিবারিক পরিচয় হয়। পরে আমার মেয়েকে অন্য কারখানায় ভালো বেতনের চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন লিটন। রবিবার চাকরির কথা বলে বুথে ডেকে নেন। পরে সেখানে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে কৌশলে জোর করে ধর্ষণ করেন। পরে মেয়ে বাড়ি এসে তার মাকে কাঁদতে কাঁদতে ধর্ষণের কথা বলে।
শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহম্মদ আবদুল বারিক জানান, বুথের ওই নিরাপত্তাকর্মী ঘটনার পর থেকে পলাতক আছে। অধিক গুরুত্ব দিয়ে মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হবে। পুলিশের একাধিক টিম কাজ শুরু করেছ। নির্যাতনে শিকার কিশোরীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গাজীপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কুষ্টিয়ায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ইবি শিক্ষার্থী নিহত
সুদের টাকা না পেয়ে গাছে বেঁধে ব্যবসায়ীকে নির্যাতন
‘আমরা বিজয়ের পথে, তেহরানের আকাশ ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে’