ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘ইরান ও তার জনগণের ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞান রাখেন এমন বিচক্ষণ ব্যক্তিরা কখনও এই জাতিকে হুমকি দিয়ে কথা বলেন না। কারণ ইরানি জাতিকে কখনো দাবায়ে রাখা যাবে না। আমেরিকানদের জানা উচিত, তাদের কোনো সামরিক হস্তক্ষেপ অপরিবর্তনীয় ক্ষতির মুখোমুখি হবে।’
খামেনির এই বক্তব্য এসেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির জবাবে। ট্রাম্প ইতিপূর্বে আয়াতুল্লাহ খামেনিকে লক্ষ্য করে হামলা এবং ইসরায়েলকে সাহায্য করতে যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
তেহরান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শুক্রবার থেকে ইসরায়েল যে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা পুরোপুরি আমেরিকার সমর্থন, সমন্বয় ও সহযোগিতায় হচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত আমেরিকার যুদ্ধবিমান সরাসরি হামলায় অংশ নেয়নি।
মার্কিন বিশ্লেষকরা নিশ্চিত করেছেন যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত আমেরিকার ঘাঁটিগুলোকে ধ্বংস করে দিতে সক্ষম, যেখানে হাজার হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। গত কয়েকদিনে দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর নির্ভুল ও ধ্বংসাত্মক সক্ষমতার প্রমাণ মিলেছে।
তেহরান টাইমসকে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ব্যর্থ উদ্দেশ্যগুলো এখন ট্রাম্পকে এই সংকট থেকে তাকে উদ্ধার করার জন্য চাপ দিচ্ছে।
মৌসুম শুরুর আগেই গুরুতর হচ্ছে ঢাকার ডেঙ্গু পরিস্থিতি 