ইসরায়েলের হামলার জবাবে টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। এরই মধ্যে মার্কিন গণমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা গেছে, ওয়াশিংটন ইসরায়েলের আগ্রাসনে সরাসরি সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে।
সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে থেকে জানা গেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের সঙ্গে একযোগে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানোর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে ইরানের ‘ফোরদো’ পারমাণবিক স্থাপনা, যেটি ভূগর্ভে গভীরভাবে অবস্থিত। এটি ধ্বংস করতে যে শক্তিশালী বোমা প্রয়োজন—৩০ হাজার পাউন্ড ওজনের—তা কেবল যুক্তরাষ্ট্রেরই আছে।
গত মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে ট্রাম্প তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে প্রায় ৯০ মিনিট বৈঠক করেন। বৈঠকে ইরানের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়।
সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে সরাসরি জড়াবে কি না—সে বিষয়ে এখনো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উপদেষ্টারা একমত নন। বিষয়টি স্পষ্ট নয়।
এ বিষয়ে বিবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিশ্লেষক ডারা কনডুইট বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে এক হয়ে হামলায় অংশ নিলে যুদ্ধের গতি-প্রকৃতি পুরোপুরি বদলে যাবে।’
এদিকে গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প ইরানের কাছে ‘নির্বিকল্প আত্মসমর্পণ’ দাবি করেন।
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে না জড়াতে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কতা রাশিয়ার
ইরানে পারমাণবিক কার্যক্রম স্বাভাবিক, স্থাপনাগুলো সুরক্ষিত বলছে তেহরান