নুরুল হুদার ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

আপডেট : ২৩ জুন ২০২৫, ০২:০৬ পিএম

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের করা একটি মামলায় সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদার বিরুদ্ধে নির্বাচন পরিচালনায় অনিয়ম এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উঠেছে। মামলায় তাঁকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করেছে পুলিশ।

আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই রিমান্ড আবেদন করেন শেরেবাংলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুজ্জোহা সরকার। আদালত আজ এ বিষয়ে শুনানি গ্রহণ করবে।

এর আগে, গতকাল রবিবার রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে কে এম নুরুল হুদাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রাতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় ডিবি।

বিএনপি’র পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, গত তিনটি জাতীয় নির্বাচন ছিল ‘প্রহসনের’ আর এসব নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এ লক্ষ্যে দলটি রবিবার শেরেবাংলা থানায় একটি মামলা দায়ের করে, যেখানে কে এম নুরুল হুদাসহ মোট ১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

একইসঙ্গে দলটি নির্বাচন কমিশনে (ইসি) পৃথকভাবে অভিযোগ দিয়েছে—যেখানে তিনজন সাবেক সিইসি এবং একাধিক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মোট ১৯ জনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগপত্র জমা পড়ে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ ওঠে। বিরোধী দলগুলোর দাবি, ভোট গ্রহণের আগেই অধিকাংশ ব্যালট বাক্স পূর্ণ করা হয়। ওই নির্বাচনে বিএনপি মাত্র সাতটি আসন পায়। এই নির্বাচন ‘নিশিরাতের ভোট’ হিসেবে সমালোচিত হয় দেশজুড়ে।

সে সময় নির্বাচন কমিশনের নেতৃত্বে ছিলেন কে এম নুরুল হুদা। তাঁর সঙ্গে কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সাবেক সচিব রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মাহবুব তালুকদার, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ কবিতা খানম এবং অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদৎ হোসেন চৌধুরী।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত