দীর্ঘ ১২ দিনের সংঘাতের পর অবশেষে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে উভয় দেশের গণমাধ্যম। যদিও যুদ্ধবিরতির ঘোষণা নিয়ে এখনো পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছে দুই পক্ষই।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম প্রেস টিভি জানিয়েছে, ইসরায়েলি ভূখণ্ডে ও ইরানের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক হামলা ও পাল্টা হামলার পর সোমবার রাতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
অন্যদিকে ইসরায়েলের টেলিভিশন চ্যানেল চ্যানেল ১২ এবং অনলাইন নিউজপোর্টাল ওয়াইনেট জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি শুরু হয়ে গেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-ও এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক ঘোষণায় জানান, “ইসরায়েল ও ইরান সর্বাত্মকভাবে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। এখন শান্তির সময়।”
তবে যুদ্ধবিরতি নিয়ে দ্বিধা থেকেই যাচ্ছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, এখনো যুদ্ধবিরতি বা সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়নি। তিনি জানান, “তেহরান সময় অনুযায়ী ভোর ৪টার মধ্যে যদি ইসরায়েল ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে তাদের অবৈধ হামলা বন্ধ করে, তাহলেই কেবল ইরান পক্ষ থেকে আর কোনো পাল্টা হামলা চালানো হবে না।”
বিশ্লেষকদের মতে, এই মুহূর্তে যুদ্ধবিরতির বাস্তবতা নির্ভর করছে উভয় পক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর। যদিও আন্তর্জাতিক মহল এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে, তবে এখনই স্থায়ী শান্তি ফিরে আসবে কি না, তা বলা যাচ্ছে না।
কারো কাছে নতি স্বীকার করবে না ইরান
যুদ্ধবিরতি নিয়ে জরুরী বৈঠকে বসেছেন নেতানিয়াহু