নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করেছে। শুধু ইরানের ফোর্দো পারমাণবিক স্থাপনাই যুক্তরাষ্ট্রের হামলার একমাত্র লক্ষ্য ছিল না।
তিনি বলেন, আরও দুটি টার্গেট ছিল যেগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি এবং সেগুলোতে শত শত মাইল দূরের সাবমেরিন থেকে হামলা করা হয়েছিল। এগুলো বিশ্বের গ্রেটেস্ট সাবমেরিন, এর ধারে কাছেও কেউ নেই।
ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা ওয়াশিংটনের আছে কি-না এই প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান মাত্রই একটি যুদ্ধে ছিল এবং তারা সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করেছে। তারা যদি তাহলে তেল বিক্রি করতে পারছে। চীন চাইলে ইরানের কাছ থেকে তেল কিনতে পারছে।
তিনি বলেন, দেশটির (ইরানের) আবার ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য অর্থের প্রয়োজন।
তিনি তার বক্তৃতার শুরুতেই ইরানে হামলার প্রসঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি দাবি করেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে ‘ব্যাপক, সুনির্দিষ্ট হামলা’ হয়েছে। বিশ্বের আর কোনো সামরিক বাহিনী এটি করতে পারতো না এবং এখন আমেরিকান শক্তির এই অসাধারণ চর্চা শান্তির পথ খুলে দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন প্রতিরোধ করার পাশাপাশি আমেরিকান শক্তির বিশ্বাসযোগ্যতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প।
