এ বছর নোয়াখালীতে উচ্চ মাধ্যমিক বা এইচএসসি পরীক্ষায় সর্বমোট ৪৬টি কেন্দ্রে ২০ হাজার ৯৯০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। এদের মধ্যে বালক ৯ হাজার ৩৩০ ও বালিকা ১১ হাজার ৬৩০ জন।
দেশের অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের সাথে একযোগে বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) এই পাবলিক পরীক্ষা শুরু হবে। এদিন বাংলা প্রথমপত্র (আবশ্যিক)-এর পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলবে।
কুমিল্লা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ছয় জেলা কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এ বছর মোট ৪৫৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১৯২টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ছয়টি জেলায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লক্ষ ১ হাজার ৭৫০ জন। অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ৪২ হাজার ৭৪১ জন এবং ছাত্রী ৫৯ হাজার ৯ জন যার মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা বেশি। বিভাগ অনুযায়ী মানবিকে সবচেয়ে বেশি অংশ নিচ্ছেন ৪৭ হাজার ৯৫৮ জন, ব্যবসায় শিক্ষায় ২৭ হাজার ৫৫৪ এবং বিজ্ঞান বিভাগে সবচেয়ে কম ২৬ হাজার ২৩৮ জন।
এছাড়া কুমিল্লা বোর্ডে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯০ শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করলেও শেষ পর্যন্ত পরীক্ষার জন্য ফরম পূরণ করেননি ২৫ হাজার ৪৪০ জন। পরীক্ষার আগে এত বড় সংখ্যায় শিক্ষার্থীর বাদ পড়ে যাওয়া শিক্ষা ব্যবস্থায় ভয়াবহ অবস্থার বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কুমিল্লার প্রফেসর মো. শামসুল ইসলাম বলেন, ‘বিদেশে চাকুরি, বিয়ে-সাদিসহ বিভিন্ন সমস্যার কারণে এ বছর ২৫৪৪০ জন এইচএসসি পরীক্ষার্থী ফরম পূরণ করেনি।’
শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকরা জানান, ‘নকল রোধে এসএসসির অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে এইচএসসির কেন্দ্রগুলোতে সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়ে বোর্ড অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার আরও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। প্রতিটি জেলায় বোর্ডের বিশেষ টিম কাজ করছে। প্রশ্নপত্রগুলো স্থানীয় প্রশাসনের জিম্মায় দেওয়া হবে।
কেন্দ্রে নকল প্রতিরোধসহ পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশসহ প্রশাসন, পুলিশসহ পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদার করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জিনাত রেহানা।
