মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী দুটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের পর হাজার হাজার শরণার্থী সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মিজোরামে প্রবেশ করেছে। দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় চিন রাজ্যের কৌশলগত এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী চিন ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্স ও চিনল্যান্ড ডিফেন্স ফোর্স-হুয়ালঙ্গোরামের মধ্যে এ সংঘর্ষ হচ্ছে।
এ ঘটনার পরপরই শরণার্থীরা সীমান্ত পেরিয়ে মিজোরামে প্রবেশ করছে বলে এক ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, লড়াই শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় চার হাজার শরণার্থী সীমান্ত অতিক্রম করেছে।
মিয়ানমারে ২০২১ সালে বেসামরিক সরকার উৎখাত করে জান্তাবাহিনী ক্ষমতা দখলের পর দেশটির হাজার হাজার নাগরিককে আশ্রয় দিয়েছে মিজোরাম। রাজনৈতিক সীমানার কারণে বিচ্ছিন্ন হলেও চিন ও মিজোরামের মানুষের মধ্যে সাংস্কৃতিক এবং নৃতাত্ত্বিক সাদৃশ্য রয়েছে।
মিজোরামের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে সপডাঙ্গা নতুন শরণার্থীদের আগমনের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও শরণার্থীর সংখ্যা তিন হাজার বলে জানিয়েছেন। সপডাঙ্গা রয়টার্সকে বলেন, ‘পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। শরণার্থীরা এখানে এসেছে এবং মানবিক কারণে আমাদের পানীয় জল, খাদ্য ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।’
রয়টার্স জানিয়েছে, রবিবার রাত পর্যন্ত রাজ্যের চাম্পাই জেলার জোখাওথার ও সাইখুমফাই গ্রামে তিন হাজার ৯৮০ জনের বন্দিদশা রেকর্ড করেছে কর্তৃপক্ষ।
তবে মিয়ানমারের জান্তা মুখপাত্র রয়টার্সকে এ বিষয়ে মন্তব্য দেননি।
