লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে পুশইন হয়ে আসা ১০ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আটকদের মধ্যে রয়েছেন চার শিশু, তিন নারী ও তিনজন পুরুষ।
গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে আদিতমারীর ৯২৫ নম্বর মেইন পিলারের পাশ দিয়ে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের ৭৮ ব্যাটালিয়ন তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেয়। গভীর রাতে সীমান্ত পেরোলেও তারা কোথাও যেতে না পেরে সেখানকার আশপাশেই অবস্থান করছিলেন।
পরে আজ বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়রা তাদের ঘোরাফেরা করতে দেখে সন্দেহভাজন হিসেবে বিজিবিকে খবর দেন। দুর্গাপুর বিওপির টহলদল ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে।
আটক হওয়া ব্যক্তিরা সবাই সনাতন ধর্মাবলম্বী। তারা দাবি করেছেন, তাদের বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, জীবিকার সন্ধানে প্রায় এক যুগ আগে তারা ভারতে যান এবং সেখানকার হরিয়ানা রাজ্যে বসবাস করছিলেন। সম্প্রতি বিএসএফ তাদের আটক করে সীমান্তে এনে বাংলাদেশে পুশইন করে।
১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বলেন, ‘আটকদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা বাংলাদেশের নাগরিক। তবে এখনও যাচাই-বাছাই চলছে। প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত হলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএসএফের এই ধরনের কার্যকলাপ সম্পূর্ণ অমানবিক। আমরা ইতোমধ্যে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছি এবং পতাকা বৈঠকের জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত বিএসএফের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।’
এই ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
জুলাই গণহত্যার রাজসাক্ষী হলেন সাবেক আইজিপি চৌধুরী মামুন