টি-টোয়েন্টিতে নতুন শুরুর কথা বলেছিলেন লিটন দাস। কিন্তু পাকিস্তানের ‘বি’ দলের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ হয়ে সে উচ্চারণই যেন এখন অতীত। ব্যাটে-বলে প্রায় নিঃশব্দ বাংলাদেশকে সামনে রেখেও পাকিস্তান বাংলাদেশ সফরের আগে নিচ্ছে পূর্ণ প্রস্তুতি। কেননা, পাকিস্তানের সাদা বলের ক্রিকেটের প্রধান কোচ মাইক হেসনের চোখে—বিদেশে নয়, বাংলাদেশ আসল শক্তি দেখায় দেশের মাটিতেই।
বাংলাদেশের ক্রিকেট এখন কঠিন সময় পেরোচ্ছে। বছরের শুরুতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে একটি ম্যাচও জিততে পারেনি দল। ওয়ানডেতে হেরেছে শ্রীলঙ্কার কাছে, টেস্টেও গলেতে ড্র করার পর কলম্বোতে চূর্ণ। টি-টোয়েন্টিতে চিত্রটা আরও হতাশাজনক। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয় পাওয়ার পর থেকেই যেন পথ হারিয়েছে দল।
এই দুঃসময়ের মাঝেই পাকিস্তানের মাটিতে তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে প্রস্তুতি ম্যাচেও হেরেছে দুইটি। সিরিজ শেষে বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স বলেছিলেন,‘আমাদের দ্রুত উন্নতি করতেই হবে।’কিন্তু সেই কথার প্রতিফলন মাঠে এখনো অধরা।
তবে দেশের মাটিতে টাইগারদের বিপক্ষে সতর্ক পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কা সিরিজ শেষে মিরপুরে শুরু হবে দুই দলের লড়াই। সেই সিরিজ সামনে রেখে মাইক হেসনের পরিকল্পনা স্পষ্ট—মিরপুরের মতো টার্নিং ও মন্থর উইকেটেই নিজেদের ব্যাটারদের প্রস্তুত করছেন তিনি।
হেসন বলেন, ‘মিরপুরে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলা সব সময়ই চ্যালেঞ্জিং। বল টার্ন করে, উইকেট মন্থর, আর্দ্রতাও বেশি থাকে। তাই আমরা ঠিক তেমন পরিবেশেই অনুশীলন করছি। বাংলাদেশ দেশের বাইরে যতটা না, দেশের মাটিতে অনেক বেশি ভালো দল। তাই আমরা চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুত।’
তবে পাকিস্তান দল আসছে তারকা খর্ব দল নিয়েই। বাবর আজম, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও শাহীন শাহ আফ্রিদিরা ছিলেন না শেষ সিরিজেও, থাকবেন না এবারও। সঙ্গে চোটের কারণে নেই হারিস রউফ ও শাদাব খানও। তবে এসব বাদেও দল গঠনে আশাবাদী হেসন। পাকিস্তানি গণমাধ্যমে তিনি বলেন,‘আমরা কয়েকটি জায়গায় উন্নতি করতে পারলেই বাবর-শাহীনদের ফেরানো হতে পারে টি-টোয়েন্টি দলে।’
নতুন দল, নতুন কন্ডিশন আর চাপে থাকা স্বাগতিকদের বিপক্ষে এই সিরিজটাই হতে পারে দুই দলের জন্যই নিজেদের প্রমাণ করার নতুন উপলক্ষ।
পেলের কসমস ফিরছে আবার, তবে নামে নেই ‘নিউইয়র্ক’
জোটাহীন লিভারপুলের প্রথম ম্যাচ, প্রেস্টনে হবে স্মরণ