ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে কাতারপ্রবাসী এক যুবকের বিরুদ্ধে। গত বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শিশুটির চাচা বাদী হয়ে রোববার রাতে নাসিরনগর থানায় একটি মামলা করেছেন।
ভুক্তভোগী শিশুটি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অভিযুক্ত মোক্তার মিয়া (২৮) ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। তিনি চাতলপাড় ইউনিয়নের ঘুজিয়াখাই গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ জুলাই সকালে ওই শিক্ষার্থী স্কুলে যাওয়ার পথে অভিযুক্ত মোক্তার মিয়া তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরে মুখ চেপে ধরে নিজের ঘরে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। শিশুটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে।
ঘটনার পর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়। শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত দুই দিন ধরে সে সেখানেই চিকিৎসাধীন আছে।
শিশুটির দাদী অভিযোগ করে বলেন, মোক্তার আমার নাতনিকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে নিয়মিত উত্ত্যক্ত করত। ঘটনার দিনও সে জোর করে তাকে ঘরে নিয়ে গিয়ে সর্বনাশ করেছে। আমার নাতনিটা এখন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে কাতরাচ্ছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য শিশু মিয়া বলেন, অভিযুক্ত মোক্তার বখাটে প্রকৃতির। কিছুদিন আগে কাতার থেকে ফিরে সে প্রায়ই ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করত। আমরা এ ঘটনায় তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি ১০ জুলাই ঘটলেও আমরা রোববার রাতে জানতে পারি। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অভিযোগ মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
