নারায়ণগঞ্জে উদ্বোধন করা হলো দেশের প্রথম ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মৃতি ধরে রাখতে নির্ধারিত সময়ের আগেই ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ নির্মাণ করে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন। জেলার হাজীগঞ্জ এলাকায় গত শুক্রবার (১১ জুলাই) স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
স্মৃতিস্তম্ভের ফলকে যাদের নাম রয়েছে, সেই ২১ জন শহীদ হলেন— রিয়া গোপ, মো. রোমান, আরমান মোল্লা, মো. ইরফান ভূঁইয়া, মো. তুহিন, মো. মোহসীন, মো. জনি, ইব্রাহিম, মো. স্বজন, মো. আদিল, পারভেজ হাওলাদার, মো. ফারহানুল ইসলাম ভূঁইয়া, সোলেমান, ইমরান হাসান, হযরত বিল্লাল, সফিকুল, মো. সজল, মো. মাবরুর হুসাইন, মো. মাহমুদুর রহমান খান, মো. সাইফুল হাসান ও আহসান কবির।
নিরবচ্ছিন্নভাবে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে আজ নারায়ণগঞ্জে উদ্বোধন করা হলো দেশের প্রথম ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’। নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে বিকালে শহীদ পরিবারের সদস্যরা এ স্মৃতিস্তম্ভের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
শহীদ পরিবারের সদস্যদের পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে স্মৃতিস্তম্ভটির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন শহীদ আদিলের মা আয়েশা বেগম। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- জনপ্রশাসন সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমান, শিক্ষা সচিব সিদ্দিক জোবায়ের, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব নাসরীন জাহান, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম এবং আইসিটি সচিব হায়দার চৌধুরী।
ঢাকা বিভাগীয় প্রশাসনের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে শ্রদ্ধা জানান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
