ইসির নীতিমালা

২১ বছরেই নির্বাচন পর্যবেক্ষক, যোগ্যতা এইচএসসি পাস

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২৫, ০৫:৪৯ পিএম

স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হতে গেলে এখন ন্যূনতম এইচএসসি পাস বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে। এছাড়া বয়স কমপক্ষে ২১ বছর হতে হবে। ‘নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা ২০২৫’ জারি করে এই শর্ত নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। 

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) ইসির সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মো. আশাদুল হক এ নীতিমালা জারির কথা জানান।

নতুন নীতিমালা কার্যকর হওয়ায় ২০২৩ সালের নীতিমালা বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া আগে নিবন্ধিত ৯৬টি পর্যবেক্ষক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সও বাতিল করা হয়েছে।

পূর্বে নির্বাচন পর্যবেক্ষক হতে এসএসসি পাস বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন ছিল। বয়সের ন্যূনতম সীমা ছিল ২৫ বছর। নতুন নীতিমালায় শিক্ষাগত যোগ্যতা বাড়ানো হয়েছে এবং বয়সসীমা কমিয়ে ২১ বছর করা হয়েছে।

নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে,  রাজনৈতিক দল বা এর অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে যুক্ত কোনো ব্যক্তি পর্যবেক্ষক হতে পারবেন না। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো প্রার্থীর সঙ্গে ব্যক্তিগত স্বার্থ জড়িত থাকলেও পর্যবেক্ষক হওয়া যাবে না। সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার বাসিন্দা বা ভোটার নন, এমন ব্যক্তিকেই পর্যবেক্ষক হিসেবে মোতায়েন করতে হবে। ভোটের দিনসহ আগে ও পরে মোট তিন দিন পর্যবেক্ষকরা দায়িত্ব পালন করবেন।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, প্রতিটি পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধনের মেয়াদ হবে ৫ বছর। তবে কমিশন চাইলে নির্ধারিত সময়ের আগেও নিবন্ধন বাতিল করতে পারবে। 

নিবন্ধনের জন্য ইসি ১৫ দিনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। আবেদনপত্রে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হবে। ইসি আবেদন যাচাই করে উপযুক্ত সংস্থাগুলোকে নিবন্ধন করবে এবং সার্টিফিকেট দেবে। আগে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রতিবেদন জমা দেওয়া সংস্থাগুলো এবার নিবন্ধন পাবে না।

গণতন্ত্র, সুশাসন ও মানবাধিকার নিয়ে কাজ করে এমন সংস্থাই কেবল পর্যবেক্ষক হিসেবে আবেদন করতে পারবে। তাদের গঠনতন্ত্রে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের অঙ্গীকার থাকতে হবে।

বিদেশি সংস্থা বা কূটনৈতিক মিশনের স্থানীয় কর্মকর্তারা স্থানীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে গণ্য হবেন। তাদের জন্য আলাদা নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত