আজ শনিবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ঢাকা ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে দলটির নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হচ্ছেন। দলটির আশা, এই সমাবেশে ১০ লাখের বেশি মানুষ অংশ নেবে।
সমাবেশের নিরাপত্তায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কঠোর প্রস্তুতি নিয়েছে। ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, সমাবেশস্থলে ১২ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া গোয়েন্দা নজরদারি ও র্যাবের সদস্যরাও নিরাপত্তা দিচ্ছেন। জামায়াতের পক্ষ থেকে ছয় হাজার স্বেচ্ছাসেবকও নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিষিদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দল যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সমাবেশস্থল ও আশেপাশের এলাকা সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে মনিটরিং করা হচ্ছে।
রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম জানান, সমাবেশস্থলে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঢাকার বাইরে থেকে আসা যানবাহনের জন্য নির্দিষ্ট পার্কিং ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এস এম নজরুল ইসলাম বলেন, সমাবেশকে ঘিরে পুরো ঢাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। কোনো বিশৃঙ্খলা যেন না ঘটে, সে জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, সমাবেশস্থলে র্যাবের পেট্রোলিং ও চেকপোস্ট বাড়ানো হয়েছে। গোয়েন্দা কার্যক্রমও আগে থেকেই চলছে।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, সমাবেশস্থলে ২০টি পয়েন্টে ছয় হাজার স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। ঢাকার বাইরে থেকে আসা লোকদের জন্য ১৫টি পার্কিং পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে।
