নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘ভৌগোলিক অবস্থান, সরল রৈখিক ও প্রশস্ত চ্যানেল, বহুমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে দেশের মধ্য-দক্ষিণাঞ্চলে একটি সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক করিডর গড়ে তোলার লক্ষ্যে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর পায়রা প্রতিষ্ঠা করা হয়। ২০২৬ সালের জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে টার্মিনাল অপারেশনাল সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে। বন্দর ব্যবহারকারীদের প্রযুক্তিবান্ধব অটোমেটেড অপারেশন ও স্মার্ট গ্রাহকসেবা দেওয়ার পরিকল্পনা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
গতকাল রবিবার সকাল ১০টায় কুয়াকাটা সিকদার রিসোর্ট অ্যান্ড ভিলাস মিলনায়তনে ‘পায়রা বন্দরের মাস্টার প্ল্যান’ সম্পর্কিত একটি সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এম সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, আধুনিক ইক্যুইপমেন্ট সমৃদ্ধ ৬৫০ মিটার দীর্ঘ জেটি, ৩ লাখ ২৫ হাজার বর্গমিটার ব্যাকআপ ইয়ার্ড, ১০ হাজার বর্গমিটার আধুনিক সিএফএস, সুপ্রশস্ত ও সরল রৈখিক চ্যানেলে নিরাপদ নেভিগেশন সুবিধা রয়েছে। ৪০ থেকে ৫০ হাজার টন বোঝাই কার্গো ২২৫ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৩২ মিটার প্রস্থ বিশিষ্ট প্যানামেক্স আকৃতির জাহাজ চলাচলের সুবিধা রয়েছে। ৩০০০-৩৫০০ টিইউএস কনটেইনার সুবিধাসহ জটবিহীন বার্থিং-আন-বার্থিং সুবিধাসহ একই সঙ্গে ইনার চ্যানেলে ১৫টি বাণিজ্যিক জাহাজের ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা রয়েছে। ঢাকা ও অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে নদীপথে সময় ও ব্যয় সাশ্রয়ীভাবে জোয়ার-ভাটার অপেক্ষা ছাড়া সংযোগ সুবিধা রয়েছে। কন্টিনজেন্সি অ্যাংকোরেজ সুবিধার পাশাপাশি সুবিশাল ও সুপ্রশস্ত আধুনিক কার পার্কিং শেড ব্যবহার, সাশ্রয়ী ট্যারিফ রেট সুবিধা রয়েছে। সড়কপথে কার্গো পরিবহনে থাকবে যানজটবিহীন সুবিধা।
