সিএফমোটোর আনুষ্ঠানিক যাত্রা

ফ্ল্যাগশিপ স্পোর্টস বাইকের নতুন দুই মডেল উন্মোচন

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২৫, ১০:০৬ এএম

বিশ্বখ্যাত মোটরসাইকেল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সিএফমোটো এবার বাংলাদেশের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে। পাওয়ার, প্রিসিশন, প্রাইড—এই তিন শব্দে নিজেদের ব্র্যান্ড দর্শন তুলে ধরে সম্প্রতি এক জমকালো অনুষ্ঠানে সংস্থাটি উন্মোচন করেছে তাদের ফ্ল্যাগশিপ সিরিজের দুটি স্পোর্টস বাইক: ১২৫ এনকে এবং ৩০০ এনকে।

দ্রুতগতির ভক্তদের জন্য প্রস্তুতকৃত সিএফমোটো ৩০০ এনকে মডেলটি ২৯২.৪ সিসি ইঞ্জিনে চলে এবং শহরের ব্যস্ত রাস্তায় কিংবা রেসিং ট্র্যাকে সমান দক্ষতার সঙ্গে চলার উপযোগী। এতে রয়েছে একক সিলিন্ডারের লিকুইড-কুলড ইএফআই ইঞ্জিন, যা ২৯ বিএইচপি শক্তি ও ২৫ এনএম টর্ক উৎপাদন করতে সক্ষম।

স্মার্ট কন্ট্রোলের জন্য বাইকটিতে যুক্ত করা হয়েছে ডুয়েল-চ্যানেল এবিএস এবং অ্যাগ্রেসিভ রাইডিংয়ের অভিজ্ঞতা দিতে রয়েছে স্পোর্টি রাইডিং পজিশন। রাইডারদের আরও আধুনিক সুবিধা দিতে এতে থাকছে উন্নত টিএফটি ডিসপ্লে ও ইউএসডি সাসপেনশন, যা প্রতিটি যাত্রাকে করে আরও রোমাঞ্চকর ও গতিময়। পারফরম্যান্সপ্রিয় রাইডারদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে একটি উপযুক্ত পছন্দ।

অন্যদিকে, ১২৫ এনকে মডেলটি নির্মিত হয়েছে স্টাইল, প্রযুক্তি ও পারফরম্যান্সের সমন্বয় চাওয়া ব্যবহারকারীদের লক্ষ্য করে। ১৫ বিএইচপি শক্তি ও ১১ এনএম টর্ক উৎপাদনক্ষম এই বাইকে রয়েছে ডিওএইচসি ৪-ভালভ ইএফআই ইঞ্জিন, ছয় গিয়ারের ট্রান্সমিশন এবং লিকুইড-কুলিং সুবিধা, যা দীর্ঘ যাত্রাতেও নিরবচ্ছিন্ন পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে।

নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় এ বাইকে রয়েছে ডুয়েল-চ্যানেল এবিএস এবং ট্র্যাকশন কন্ট্রোল সিস্টেম। যাত্রীবান্ধব সুবিধা হিসেবে রয়েছে টিএফটি ডিজিটাল ডিসপ্লে, ইউএসবি চার্জিং পোর্ট এবং চওড়া টায়ার—যার সামনে ১১০/৭০ R17 ও পেছনে ১৪০/৬০ R17 মাপের। এর ফলে শুধু কার্যকারিতাই নয়, বাইকটির বাহ্যিক সৌন্দর্যেও যুক্ত হয়েছে ভিন্নমাত্রা।

জেম ব্ল্যাক ও জেফির ব্লু—এই দুটি আকর্ষণীয় রঙে বাজারে আসছে সিএফমোটোর নতুন ১২৫ সিসি মডেলটি। এর দাম এখনো নির্ধারণ করা হয়নি, তবে ৩০০ এনকে মডেলের মূল্য ধরা হয়েছে ৪ লাখ ২৮ হাজার টাকা।

সিএফমোটোর বাংলাদেশ অংশীদারদের পক্ষ থেকে এক যৌথ বিবৃতিতে সভাপতি মাজবা উদ্দিন মামুন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বোরহান উদ্দিন তানবীর, এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান—“বাংলাদেশে সিএফমোটোর পথচলা শুরু করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এই আত্মপ্রকাশ দেশের মোটরসাইকেল বাজারে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। স্টাইল, পারফরম্যান্স এবং আধুনিক প্রযুক্তির সংমিশ্রণে স্থানীয় রাইডারদের চাহিদা পূরণে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত