জুলাই সনদ ও ঘোষণাপত্রের সঙ্গে জনগণ নির্বাচনের ঘোষণাও চায় উল্লেখ করে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, রোজার আগে নির্বাচনের জন্য জনগণ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
আজ সোমবার বিকেলে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের বাদশা বাজারে কাউয়ালীজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদ আবু কাউসার বিজয় ফরাজীর প্রথম শাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
স্মরণ সভায় এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, নির্বাচিত সরকার ও সংসদের মাধ্যমেই জুলাই সনদ ও ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন করে গণঅভ্যুত্থানের আকাঙক্ষা বাস্তবায়ন হবে। জুলাই সনদ ও ঘোষণাপত্র বিএনপি ধারণ করে। কিন্তু একটি মহল বিএনপির বিরুদ্ধে অপ প্রচার চালাচ্ছে অহেতুক বিভ্রান্তি ও জটিলতা সৃষ্টির করছে নির্বাচন বিলম্বিত করতে।
তিনি বলেন, বিএনপি শহীদদের রক্তের ঋণ পরিশোধ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিএনপি জনগণের রয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে জনগণের কাছে প্রদত্ত সকল অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে বদ্ধ পরিকর।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের একক দাবিদার সেজে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে বারওয়ারী ব্যবসা করতে চেয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান নতুন বাংলাদেশ উপহার দেবেন, যেখানে গণতন্ত্র, সুশাসন, জানমালের নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, ধর্ম, সাংস্কৃতিক, মানবিক ও সামাজিক মূল্যবোধ, শান্তি, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য বজায় থাকবে। জনগণের অর্থ সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হবে।
হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম মিয়া বাবুলের সভাপতিত্বে ও উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মশিউজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় শহীদের পিতা সাইদুল ইসলাম ফরাজী, হালুয়াঘাট পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হানিফ মোহাম্মদ শাকের উল্লাহ, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু হাসনাত বদরুল কবীর, পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর আলম বিপ্লব, বিএনপি নেতা অধ্যাপক মোফাজ্জল হোসেন, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা মহিলা দলবার সাধারণ সম্পাদিকা হোসনে আরা নিলু, বিভাগীয় শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল গনি, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি নাঈমুর আরেফিন পাপন, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক নূরে আলম জনি, উপজেলা বিএনপি নেতা সৈয়দুজ্জমান, হারুন অর রশীদ, হাবিবুর রহমান, আব্দুর রশীদ, জুলাই আন্দোলনে পুলিশের গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত মেহেদী হাসান, সদর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি মাসউদ রানা বক্তব্য রাখেন।
এর আগে এমরান সালেহ প্রিন্সসহ নেতৃবৃন্দ শহীদ বিজয় ফরাজীর বাবা ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কালো ব্যাজ ধারণ করে কালো পতাকা নিয়ে মৌন মিছিল সহকারে শহীদের কবর জিয়ারত ও পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন এবং তার বাবা-মাসহ আত্মীয় পরিজনের সঙ্গে সাক্ষাত করে সমবেদনা জানান।
জুলাই যেমন সবার ছিল, ঘোষণাপত্রও সবাইকে নিয়ে হবে
চট্টগ্রাম নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের ১৯ নেতাকে শোকজ