পিপিআর, ২০০৮ সংশোধন প্রস্তাব নিয়ে মাঠ পর্যায়ে কর্মশালা

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২৫, ০৭:৩৯ পিএম

পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০০৮ সংশোধনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সাথে ধারাবাহিক পরামর্শ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পরামর্শ গ্রহণ শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রংপুর জেলা সদর এবং সৈয়দপুর উপজেলায় বিপিপিএ দুটি কর্মশালা আয়োজন করেছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)-এর সচিব মো. কামাল উদ্দিন কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিপিপিএ-র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) এস. এম. মঈন উদ্দীন আহমেদ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মো. রবিউল ফয়সালের সভাপতিত্বে রংপুরে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মো. আশরাফুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে আইএমইডি সচিব বলেন, পিপিএ, ২০০৬ (সংশোধন) অধ্যাদেশ ৪মে ২০২৫ তারিখে প্রকাশ করা হয়েছে এবং এর সাথে সঙ্গতি রেখে সংশোধিত আইন কার্যকর করার জন্য পিপিআর, ২০০৮ সংশোধন করা প্রয়োজন। এজন্য আমরা এটি নিয়ে কাজ করছি এবং সকল অংশীজনের সাথে পরামর্শ করছি। এর অংশ হিসেবে আমরা তৃণমূল স্তরের প্রতিক্রিয়া এবং সুপারিশ গ্রহণের জন্য মাঠ পর্যায়ে পরামর্শ কর্মশালার আয়োজন করছি।

অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানিয়ে বিপিপিএ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, পিপিআর, ২০০৮ সংশোধনী সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলি নিয়ে সকল স্তরে আলোচনার জন্য বিপিপিএ এ কর্মশালার আয়োজন করেছে সবার মতামত জানার জন্য। প্রস্তাবগুলির উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেক সংশোধনী প্রস্তাব করা হয়েছে, তাই উপদেষ্টার অনুমোদন নিয়ে নতুন করে পিপিআর, ২০২৫ প্রণয়ন করা ভালো হবে।

পিপিএ, ২০০৬ (সংশোধনী) তুলে ধরে তিনি বলেন, ই-জিপি ইতিমধ্যেই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং যারা সীমিত সময়ের জন্য অফ-লাইনে ক্রয় করতে চান তাদের বিপিপিএ থেকে অনুমোদন নিতে হবে।

বিপিপিএ-র পরিচালক (উপ-সচিব) শাহ ইয়ামিন-উল ইসলাম পিপিআর, ২০০৮ সংশোধন প্রস্তাবের উপর একটি উপস্থাপনা করেন এবং বিপিপিএ-র জ্যেষ্ঠ প্রোগ্রামার মো. হাফিজুর রহমান ই-জিপি সম্পর্কে ওরিয়েন্টেশন প্রদান করেন।

বিভিন্ন ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, দরপত্রদাতা, ব্যাংকার, সুশীল সমাজের সদস্যরা কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিকেশন প্রোগ্রামস (বিসিসিপি) কর্মশালাগুলো পরিচালনা করেছে। 

উল্লেখযোগ্য, বিপিপিএ টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপ (টিডব্লিউজি), নির্বাচিত পাবলিক সেক্টর অর্গানাইজেশন (এসপিএসও), জাতীয় ক্রয় প্রশিক্ষক, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সাথে পরামর্শ করেছে। দরপত্রদাতা এবং মহিলা উদ্যোক্তাদের সাথেও কর্মশালার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিপিপিএ সংশোধন প্রক্রিয়াকে অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং ব্যাপক করার বিষয়ে অংগীকারাবদ্ধ । ৪ মে ২০২৫ তারিখে, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট সংশোধন অধ্যাদেশ প্রকাশিত হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত