বাঁশখালী হামেদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা

১১ বছর পর আবার অধ্যক্ষের দা‌য়িত্বে জহিরুল ইসলাম

আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২৫, ১০:২২ পিএম

চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী হামেদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মো. জহিরুল ইসলাম ১১বছর  পুনরায় অধ্যক্ষ পদে দা‌য়িত্ব গ্রহণ ক‌রে‌ছেন। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকাল ৮টা ৪৫‌ মি‌নি‌টে বাঁশখালী হামেদিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় গি‌য়ে দা‌য়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। 

সোমবার (১১ আগস্ট) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিদর্শন (চট্টগ্রাম বিভাগ) শাখা জি এম শামছুল আলম স্বাক্ষ‌রিত  নির্দেশনা সভাপ‌তি বরাব‌রে প্রেরণ ক‌রেন ।  মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থে‌কে প্রদত্ত চি‌ঠি‌তে উল্লেখ রয়েছে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী হামেদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মো. জহিরুল ইসলামের চাকরিতে পুনরায় যোগদান প্রসঙ্গে।

অফিস আদেশে বলা হয়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে বরখাস্তের অভিযোগে অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম ২২ মে ২০২৫ তারিখে (ডকেট নং-১৪৪৪৬) অধিদপ্তরে প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেন। এ বিষয়ে ৬ জুন ২০২৫ ও ২৩ জুলাই ২০২৫ তারিখের দুটি স্মারকের প্রেক্ষিতে তদন্তভার দেওয়া হয় পরিদর্শক (প্রশিক্ষণ ও শারীরিক শিক্ষা) মো. আব্দুর রাজ্জাককে। তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসে, অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম ২০০১ সালের ১ নভেম্বর বাঁশখালী হামেদিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় যোগদান করেন এবং এমপিওভুক্ত হন (ইনডেক্স-৩১৬৬৯৪)। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের ২৩ মার্চ অনুষ্ঠিত  বাঁশখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়েত ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সে সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আদেশ অনুযায়ী  উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চাকরিতে বিনা বেতনে ৫ বছরের ছুটি নেওয়ার সুযোগ ছিল। এ ঘটনায় আদালতের রিট পিটিশন নং-৩৬৫৭/২০১৫ এর রায়ে বলা হয়, কোনো শিক্ষক-কর্মচারীকে ৬০ দিনের বেশি সাময়িক বরখাস্ত রাখলে তিনি পূর্ণ বেতন-ভাতা পাওয়ার অধিকারী হবেন।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম বলেন, “মূলত আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছিলাম। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি। আজ থে‌কে নিজ দা‌য়িত্ব‌ পালন করার জন‌্য মাদ্রাসায় উপ‌স্থিত হ‌য়ে‌ছি।”

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত