তিন দিন ধরে ধর্মঘটে আটকে গেছে এয়ার কানাডার কার্যক্রম। ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টদের দাবি আদায়ে এই ধর্মঘটের কারণে হাজারো যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন। গত সোমবার প্রথমবারের মতো এয়ারলাইন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসেন ১০ হাজার ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট। তবে সমাধান না হওয়ায় মঙ্গলবার পর্যন্ত কয়েকশ’ ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয় এয়ার কানাডা।
বর্তমান মৌসুমে এই ধর্মঘটের কারণে প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এয়ারলাইনটি সাধারণত দিনে ৫০০ ফ্লাইট পরিচালনা করে, যা এখন পুরোপুরি বন্ধ। কর্মীরা কম বেতন, বিনা পারিশ্রমিকে অতিরিক্ত কাজ এবং ক্ষতিপূরণ বৃদ্ধির দাবিতে এই বিক্ষোভ করছেন।
ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টরা উচ্চতর বেতন এবং বিমানে ওঠার আগে ও অপেক্ষার সময়সহ গ্রাউন্ড ডিউটির জন্য আলাদা পারিশ্রমিক চাইছেন। আলোচনায় এয়ার কানাডা চার বছরে মোট ৩৮% বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব দেয়, যার মধ্যে প্রথম বছরেই ২৫% বৃদ্ধির কথা ছিল। কিন্তু ইউনিয়ন এই প্রস্তাবকে ‘মুদ্রাস্ফীতির তুলনায় কম’ এবং ‘ন্যূনতম মজুরির নিচে’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
গত মাসের শুরুতে ইউনিয়নের ৯৯.৭% সদস্য ধর্মঘটের পক্ষে ভোট দেন। কানাডার শ্রমমন্ত্রী প্যাটি হাইদু উভয় পক্ষকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এয়ার কানাডা সরকারের কাছে বাধ্যতামূলক সালিশির অনুরোধ করলেও ইউনিয়ন অভিযোগ করেছে, কর্তৃপক্ষ আট মাস ধরে আন্তরিক আলোচনা না করে এখন সরকারি হস্তক্ষেপ চাইছে।
