ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, দৃশ্যমান বিচার, মৌলিক সংস্কার, ও পিআর পদ্ধতিকে চূড়ান্ত করেই নির্বাচনের কথা ভাববেন। আজ ইসলাম পন্থীরা এক হয়েছে। আশা রাখছি ইসলামের পক্ষের লোকরাই সামনের নির্বাচনে ক্ষমতায় যাবে৷
২০ আগস্ট বুধবার বিকালে ফেনী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আয়োজিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর রাষ্ট্র কাঠামো ও আইনি সংস্কারের কিছুটা অগ্রগতি হলেও রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আসেনি। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, এমনকি রাজনৈতিক পরিচয়ে ধর্ষণের মতো অপরাধও বেড়েছে। মিডফোর্ট হাসপাতালের সামনে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জনতার স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া হলেও তা রাজনৈতিক ইস্যু বানিয়ে আড়াল করা হয়েছে। এসব অপরাধের সাথে বিএনপির সম্পৃক্ততা তাদের বহিষ্কার সিদ্ধান্তে প্রমাণিত হয়েছে। তাই বিএনপিকে দায় নিতে হবে এবং ভেতরের অপরাধীদের চিহ্নিত করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
পীর চরমোনাই বলেন, ১৫ বছরের পতিত ফ্যাসিবাদের বিষাক্ত ছোঁয়া এখনও দেশকে অস্থিতিশীল করে রেখেছে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে আক্রমণের সময় শিষ্টাচার মানা জরুরি, কারণ কোনো অবস্থাতেই ফ্যাসিবাদকে ফের সুযোগ দেওয়া যাবে না। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে দেশে ফ্যাসিবাদ তৈরি হবে না; গঠিত হবে জবাবদিহিতামূলক সরকার। এতে ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ কমবে, সংলাপের সংস্কৃতি গড়ে উঠবে এবং প্রতিটি ভোটের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত হবে। ফলে অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।
তিনি ফেনীর জনগণের দুর্ভোগ প্রসঙ্গে বলেন, নদী ভাঙন, বন্যা ও পরিবেশগত অস্থিরতায় মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। টেকসই ও বিজ্ঞানভিত্তিক বাঁধ নির্মাণ, পানি নিষ্কাশন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা উন্নয়ন জরুরি।
