সার্বিয়ান টেনিস মহাতারকা নোভাক জকোভিচ বেশ বিপাকেই পড়েছেন। গত ডিসেম্বর থেকে তার দেশের সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। সেই আন্দোলনে সমর্থন দিয়ে সরকারের বিরাগভাজন হয়েছেন ২৪টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গেছে যে, জকোভিচ এখন দেশ ছেড়ে গ্রিসে আশ্রয় নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছেন।
আন্দোলনের শুরুর দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জকোভিচ লিখেছিলেন, ‘যুব সমাজের উপর আমার ভরসা আছে। তাদের ক্ষমতার উপর আস্থা রয়েছে। আমার মতে, উন্নত ভবিষ্যতের জন্য তাদের কথা শোনা জরুরি। দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি যুবসমাজ। তাদের সম্মান করা উচিত। বিভিন্ন ক্ষেত্রে সার্বিয়ার প্রচুর সম্ভাবনা আছে।’
এরপর গত জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জয়ের পর সেটি আন্দোলনে নিহত এক ছাত্রকে উৎসর্গ করেছিলেন জকোভিচ। বেলগ্রেড বাস্কেটবল ডার্বি দেখতে জকোভিচ যে টি-শার্ট পরে গিয়েছিলেন, তাতে ‘স্টুডেন্টস অ্যান্ড চ্যাম্পিয়ন্স’ লেখা ছিল। তারপর থেকেই তিনি প্রেসিডেন্ট ভুকিচের সমর্থক সংবাদমাধ্যমের চক্ষুশূল হয়ে ওঠেন।
সরকার সমর্থিত কিছু গণমাধ্যম জকোভিচকে ‘দেশবিরোধী’ আখ্যা দিয়েছে। সার্বিয়ার জন্য জকোভিচের কোনো অবদান নেই বলে প্রচার করা হচ্ছে। এসব কারণে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এই সুপারস্টার। সার্বিয়ার বেশ কিছু গণমাধ্যম জানিয়েছে, জকোভিচ পরিবার নিয়ে গ্রিসে চলে যেতে পারেন। তাছাড়া তিনি ছাড়তে চাইলে সার্বিয়া সরকার নাকি তাকে বাধা দেবে না।
জকোভিচের দেশত্যাগের আলোচনায় ঘি ঢেলেছে সাম্প্রতিক সময়ে সম্প্রতি গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোতাকিসের সঙ্গে তার একাধিক সাক্ষাৎ। তাদের সাক্ষাতের কারণ সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। উভয় পক্ষই এটাকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে উল্লেখ করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, পরিবার নিয়ে গ্রিসে চলে যেতে পারেন বিশ্বের সাবেক এক নম্বর টেনিস খেলোয়াড়। যদিও এ বিষয়ে এখনো জকোভিচ কিছু বলেননি।
মেসির শহরে বার্সেলোনার ম্যাচের বিরোধিতায় ২০ অধিনায়ক
এশিয়া কাপে ডাক পেয়েই রিংকু সিংয়ের ৪৮ বলে ১০৮
ওয়ানডে বিশ্বকাপের বেশিরভাগ ম্যাচই হবে দক্ষিণ আফ্রিকায়
রোনালদোর তারুণ্যের রহস্য: প্লাস্টিক সার্জারির ইঙ্গিত বিশেষজ্ঞের