পটুয়াখালীর বাউফলে একটি মাদরাসায় ৩টি তালা লাগিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৫ আগস্ট) ক্লাস শেষে তিন ব্যাক্তি ৩টি তালা লাগিয়ে দেন। ফলে বন্ধ রয়েছে শিক্ষা কার্যক্রম।
অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা জানান, গত সোমবার ক্লাস শেষ করে যথারীতি ছুটি দেওয়া হয়। পরের দিন মঙ্গলবার সকালে প্রতিষ্ঠানে এসে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সুপার দেখতে পান লাইব্রেরি ভবনে অপর আরও ২টিসহ মোট ৩টি তালা ঝুলছে। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সুপার মাসুমবিল্লাহ তালাবদ্ধ করে রেখে যান। এডহক কমিটির সভাপতি খালিদ সাইফুল্লাহ ওই তালার উপরে আরও একটি তালা লাগিয়ে দেন।
এরপর সাবেক ভারপ্রাপ্ত সুপার নজির উদ্দিনও একটি তালা লাগিয়ে দেন। এ ঘটনায় সকাল থেকে ২পক্ষের মধ্যে ব্যপক উত্তেজনা ও বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। শিক্ষকদের দ্বন্দ্বে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তের সৃষ্টি হয়েছে।
বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সুপার মাসুমবিল্লাহ বলেন, আমি গতকাল ক্লাস শেষে লাইব্রেরি কক্ষ তালাবদ্ধ করে যাই। সকালে এসে দেখি সাবেক সুপার ও সভাপতি খালিদ সাইফুল্লাহ দুজনে মিলে আরও ২টি তালা লাগিয়ে রেখেছে।
সাবেক ভারপ্রাপ্ত সুপার নজির উদ্দিন বলেন, মাসুমবিল্লাহ আমার জুনিয়র। ডিজি থেকে আমাকে স্বপদে বহাল রেখেছে। এখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কোন বিষয় নয়। সভাপতি বলছে আমাকে তালা লাগিয়ে দিতে। তাই আমি তালা লাগিয়ে দিয়েছি।
এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য খালিদ সাইফুল্লাহকে একাধিকবার মুঠো ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
একাডেমিক সুপারভাইজার মো. নুরুন্নবী বলেন, বিষয়টি আমি জেনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়কে জানিয়েছি। তিনি এ ব্যপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জানার পরে উভয় পক্ষকে ডেকেছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থায়ী গুম কমিশন গঠনের দাবি তাসনিম জারার