জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন শতভাগ নিশ্চিত করতে ‘জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন আইন-২০২৪’ সংশোধন করে হাসপাতাল কর্র্তৃপক্ষকে আইনগতভাবে নিবন্ধনের দায়িত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধনে বাংলাদেশ সম্প্রতি কিছুটা সাফল্য অর্জন করলেও বৈশ্বিক এবং আঞ্চলিক অগ্রগতির তুলনায় এখনো অনেকটা পিছিয়ে। বর্তমানে বাংলাদেশে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধনের হার যথাক্রমে ৫০ ও ৪৭ শতাংশ। অথচ বৈশি^ক জন্ম এবং মৃত্যুনিবন্ধনের গড় হার যথাক্রমে ৭৭ ও ৭৪ শতাংশ। হাসপাতাল কর্র্তৃপক্ষকে আইনগতভাবে নিবন্ধনের দায়িত্ব দিলেই শতভাগ এই লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে।
গতকাল সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন : অগ্রগতি, প্রতিবন্ধকতা ও করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালায় বিশেষজ্ঞরা এ কথা বলেন। গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের (জিএইচএআই) সহযোগিতায় প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) নামের একটি সংগঠন এই কর্মশালার আয়োজন করে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, বাংলাদেশ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে শতভাগ জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। একই সঙ্গে এসডিজির ১৬ দশমিক ৯ লক্ষ্যমাত্রা-জন্ম নিবন্ধনসহ সবার জন্য বৈধ পরিচয়পত্র প্রদান অর্জনেও সহায়ক হবে।
কর্মশালায় ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিসের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর মো. নজরুল ইসলাম, অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স-আত্মার কনভেনর লিটন হায়দার, কো-কনভেনর নাদিরা কিরণ এবং প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এ বি এম জুবায়ের বক্তব্য দেন। কর্মশালার বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রজ্ঞার কর্মসূচি প্রধান হাসান শাহরিয়ার।
