মানসিক স্বাস্থ্য সমাধানে পলিসিনির্ধারণ প্রতিযোগিতা আয়োজন করলো ইয়ুথ পলিসি ফোরাম

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১০:২৩ পিএম

রাইট হিয়ার রাইট নাউ (আর এইচ আর এন) উদ্যোগের অংশ হিসেবে ইয়ুথ পলিসি ফোরাম (ওয়াই পি এফ), ৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বনানীতে হোটেল সারিনায় সফলভাবে আয়োজন করেছে যুব-নেতৃত্বাধীন পলিসিনির্ধারণ প্রতিযোগিতা “মাইন্ড ম্যাটারস: ইয়ুথ কম্পিটিশন অন মেন্টাল হেলথ সলিউশনস”।

এই প্রতিযোগিতায় সারা দেশ থেকে আসা ২০ জন তরুণ সদস্য ৫টি দলে বিভক্ত হয়ে মানসিক স্বাস্থ্যপলিসির ঘাটতি বিশ্লেষণ করে উদ্ভাবনী পলিসি প্রস্তাবনা উপস্থাপন করে। এর মাধ্যমে তরুণদের কণ্ঠস্বর নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় আরও জোরদারভাবে তুলে ধরা হয় এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্তিমূলক সংস্কারের পথ সুগম করার পরিসর তৈরী হয়েছে। 

প্রতিযোগিতার পূর্বে অংশগ্রহণকারীদের দক্ষতা উন্নয়নে দুটি প্রশিক্ষণ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়, যেটি পরিচালনা করেন মনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি ফেলো  ডা. এম. তাসদিক হাসান এবং সাজিদা ফাউন্ডেশনের “দি হাব” এর  ডা. লিসানুল হাসান।

অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত পর্বে বিচারকদের রায়ের ভিত্তিতে বিজয়ী দল হিসেবে নির্বাচিত হয় “প্রাউডলি ইমোশনাল”। দলের সদস্যরা হলেন: মো. বাঁধন মল্লিক, আমেনা আক্তার খুশবু, শাকিলা নাহার, ও তাসমিয়া হক মৌসুমি।

লাইভ অডিয়েন্স ভোটের মাধ্যমে নির্ধারিত "পপুলার চয়েস অ্যাওয়ার্ড" জয় করে "দ্যা ফোর্থ মাইন্ডসেট"। দলের সদস্যরা হলেন: নুসরাত জাহান চৌধুরী, রাওহা উলফাত, মোঃ জিহাদ আলী, এবং আফিয়া ইবনাত সূচি।

বিশিষ্ট বিচারক প্যানেলে ছিলেন: ডা. সিফাত ই সাইদ, সহকারী অধ্যাপক (শিশু মনোরোগ), মনোরোগবিদ্যা বিভাগ, বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, পিজি হাসপাতাল, ঢাকা; এস. এম. নাজমুল আহসান সরুপ, সহকারী মহাব্যবস্থাপক-সিএসআর, এপিলিয়ন গ্রুপ; জুম  নাজমুল হোসেন, পরামর্শক মনোবিজ্ঞানী, সেন্টার ফর সাইকোলজিক্যাল হেলথ (সি পি এইচ); আতিয়া সুলতানা, অ্যাডভোকেসি প্রধান, ইয়ুথ পলিসি ফোরাম।

এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ওয়াই পি এফ-এর আর এইচ আর এন ইয়ুথ অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রামের সমাপনী অনুষ্ঠানও সম্পন্ন হয়। ২০২৩ সাল থেকে এ যুব অ্যাম্বাসেডররা যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং অধিকার (এস আর এইচ আর) বিষয়ে যুব অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।

অনুষ্ঠানে প্রতিযোগীদের মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শোনো-এর সিইও ও ওয়াই পি এফ-এর সিনিয়র ফেলো মেরিলিন আহমেদ। তিনি বলেন: "ওয়াইপিএফ-এ আমরা ভবিষ্যতের জন্য তরুণদের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করি। আজকের প্রতিযোগিতায় তরুণরা মানসিক স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যে সৃজনশীলতা, বিশ্লেষণী চিন্তা এবং দায়বদ্ধতার পরিচয় দিয়েছে, তা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। পলিসি সংস্কারে তাদের কণ্ঠস্বর একটি সুস্থ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত