কক্সবাজারের বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় দুইটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর মডেল থানায় এ মামলা গ্রহণ করা হয়। একটির বাদী জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আলাউদ্দিন, অন্যটি করেছেন সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাজীব পাল।
থানার ওসি ইলিয়াছ হোসেন জানান, পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলাটিতে আসামিদের নাম উল্লেখ করা হয়নি এবং সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়। অপরদিকে তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মো. ফারুক হোসেন বলেন, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও তাণ্ডবের ঘটনায় জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা বাদী হয়ে আরেকটি মামলা করেছেন। ওই মামলার এজাহারে টিকিট ইজারাদার ইব্রাহিম বাবু ও মুন্নার নাম উল্লেখ করা হয়েছে, পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা প্রায় ৭০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
স্টেডিয়ামে গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল রামু ও টেকনাফ উপজেলা একাদশের মধ্যে ফাইনাল ম্যাচ। বিকেল ৩টায় খেলা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল ৭টা থেকেই দর্শকের ভিড় জমে। নির্ধারিত টিকিটের মূল্য ছিল ৫০ টাকা, কিন্তু বিপুল ভিড়ের সুযোগে আয়োজক কমিটি ধারণক্ষমতার ছয় গুণ টিকিট অতিরিক্ত দামে বিক্রি করে। ফলে দুপুরের পর অনেক দর্শক টিকিট কিনেও মাঠে প্রবেশ করতে না পেরে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
গ্যালারিতে স্থান না পেয়ে বিকেল আড়াইটা নাগাদ দর্শকেরা গেট ভেঙে মাঠে ঢুকে পড়েন। এতে খেলা শুরু করা সম্ভব হয়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও একাধিকবার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। এর মধ্যেই স্টেডিয়ামের বাইরে থেকে বিক্ষুব্ধ জনতা ভবনে ভাঙচুর শুরু করে।
বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে মাঠে অবস্থানরত দর্শকদের লাঠিচার্জ করে বের করে দেওয়া সম্ভব হলেও গ্যালারি ও বাইরের ভিড় একযোগে হামলা চালায়। প্রেস বক্স, মাঠ ও গ্যালারিতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং ভাঙচুর চলে। এতে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন, পুলিশের তিন সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় ফাইনাল খেলা স্থগিত ঘোষণা করা হয়।
পরদিন শনিবার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দিন ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন শাহীন স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন। জেলা প্রশাসক জানান, ভাঙচুর ও তাণ্ডবের পূর্ণাঙ্গ তদন্তে দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ছয় মাসের আগেই নতুন বেতন কাঠামো চূড়ান্ত হবে
আইটেম গার্ল সামিরা মাহি