ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়া ‘জিহাদি হামাসকে পুরস্কার দেওয়া ছাড়া আর কিছু নয়। এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাজ্যে তাদের মুসলিম ব্রাদারহুড সংশ্লিষ্টতার মাধ্যমে অনুপ্রাণিত হয়েছে।’
ইসায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক্স-এ দেওয়া পোস্টে লিখেছে, ‘হামাস নেতারা নিজেরাই প্রকাশ্যে স্বীকার করছে—এই স্বীকৃতি হলো ৭ অক্টোবরের গণহত্যার সরাসরি ফল।’
ইসরায়েলের ব্লু অ্যান্ড হোয়াইট পার্টির নেতা বেনি গ্যান্টজও তিন দেশের ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ায় কঠোর সমালোচনা করেছেন।
এক্স-এ দেওয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘৭ অক্টোবরের ঘটনার পর ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়া মানে হামাসকে উৎসাহিত করা, যুদ্ধে স্থায়িত্ব আনা, বন্দী মুক্তি চুক্তির সম্ভাবনা দূরে ঠেলে দেওয়ার পাশাপাশি ইরানের প্রভাবে কার্যরত গোষ্ঠীগুলোর প্রতি স্পষ্ট সমর্থনের বার্তা পাঠানোর ইঙ্গিত।’
গ্যান্টজ পশ্চিমা নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, হামাসকে ক্ষমতা ছাড়তে এবং বন্দীদের মুক্তি দিতে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করা উচিত। অন্য যে কোনো বিষয়ের আগেই এটা হওয়া উচিত।
যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার স্বীকৃতির পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্ররোচনায় বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে। এখন পর্যন্ত জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রের ৭৫ শতাংশের বেশি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
এর আগে রবিবার ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠিানিকভাবে স্বীকৃতি দেয় যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া। প্রথমে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টার্মার ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দেন। পরে অস্ট্রেলিয়াও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজে বলেছেন, কানাডার সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে ফিলিস্তিনকে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। এটি কানাডা ও ব্রিটেনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগের অংশ। এই সিদ্ধান্ত ‘দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা’ গড়ে তুলবে।
