ইমারত নির্মাণবিধিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অন্তর্ভুক্ত দাবি

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৭:২৮ এএম

রাজউকের ইমারত নির্মাণ বিধিমালাতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, ইমারত নির্মাণ বিধিমালাতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ব্যাপারটি আনতে হবে। ওয়াসাসহ অন্যান্য সহযোগী সংস্থাগুলোকে সে ক্ষেত্রে সহায়তা করতে হবে।

রাজউক কর্তৃক নির্মিত/নির্মাণাধীন ভবনগুলোয় সেপটিক ট্যাংক/সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) স্থাপনবিষয়ক অংশীজন ঢাকার র‌্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজউকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। কারিগরি সহায়তা প্রদানের জন্য প্রস্তাব উপস্থাপন করে ডাইকি এক্সিস বাংলাদেশ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাজউকের সদস্য (পরিকল্পনা) মো. গিয়াস উদ্দিন। অনুষ্ঠানে ঢাকা নগরীর পানি দূষণ রোধে এবং পানি সংশোধনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রক্রিয়া উপস্থাপন করেন ডাইকি এক্সিস বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুই ওয়াসে ও শফিকুল ইসলাম। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন ওয়াটার এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহান।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, জাপান যেভাবে তাদের নদী ও খালগুলোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করেছে, তা অনুসরণ করে আমাদের দেশেও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করতে হবে। কিন্তু এই পুরো প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ। আজকে আমরা সমাধানের লক্ষ্যে বিভিন্ন ধারণার কথা শুনেছি, যাচাই-বাছাই করে আমাদের এই সমস্যার সমাধান করতে হবে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, ‘ওয়াসা, ওয়াটার এইডকে সঙ্গে নিয়ে আমরা ‘ওয়াশ’ প্রোগ্রাম হাতে নেব। এর সঙ্গে একটি বড় আকারের ক্যাম্পেইন দরকার, যেন মানুষ সচেতন হয়। পাশাপাশি ভবন অনুমোদনের পূর্বে সেপটিক ট্যাংক বা সুয়ারেজ ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণে রাজউককেও প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ আরোপ করতে হবে এবং এর ব্যত্যয়ে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।’

রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘সেপটিক ট্যাংক বা সুয়ারেজ লাইনের মতো বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা নিয়ে আলোচনা হয় কম। নগরীর মানুষদের স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য চরম ক্ষতিকারক বর্জ্যগুলো ঢাকার আশপাশের নদীসহ ঢাকার ভেতরের জলাশয়গুলো বিশেষ করে হাতিরঝিলে গিয়ে পড়ছে, যা নিরসনে আমাদের অনতিবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে হবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত