গেলো জুলাইয়ে ওভালে ভারতের সঙ্গে শেষ টেস্টের প্রথম দিনের খেলার সময় কাঁধে চোট পান ক্রিস ওকস। এরপর তিন দিন মাঠে নামতে পারেননি। কিন্তু শেষ দিনে ৩৭৪ রান তাড়া করতে থাকা ইংল্যান্ডের ১৭ রানের প্রয়োজনের বাঁ হাতের আর্ম স্লিং নিয়ে ব্যাট করতে মাঠে নামেন। কোনো বল খেলেননি; তবে চার রান দৌড়ে গাস অ্যাটকিনসনের সঙ্গে দলকে জয়ের খুব কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেদিন বিবিসি প্রধান ক্রিকেট রিপোর্টার স্টিফান শেমিল্ট লিখেছিলেন, “ওয়াকস যখন আর্ম স্লিংয়ে ব্যাটিংয়ে আসেন, তখন মনে হয়েছিল এটি তার শেষ ইংল্যান্ড শার্টে খেলা। দ্য ওভালে ভারতের বিপক্ষে চিরস্মরণীয় সেই মুহূর্ত হয়তো সবচেয়ে উপযুক্ত বিদায়।'
সত্যি সত্যিই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেন ক্রিস ওকস। অ্যাশেজ দলে তার জায়গা না হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ৩৬ বছর বয়সী অলরাউন্ডার। ওয়াকস ৬২টি টেস্ট, ১২২টি ওয়ানডে ও ৩৩টি টি২০ ম্যাচ খেলেছেন ইংল্যান্ডের হয়ে।
ওয়াকস ২০১৯ সালের ৫০-ওভার বিশ্বকাপ এবং ২০২২ সালের টি২০ বিশ্বকাপ জিতেছিল ইংল্যান্ডের হয়ে। তার ইংল্যান্ডে ডেবিউ হয় ২০১১ সালে টি২০ দিয়ে, এবং প্রথম টেস্ট খেলেন ২০১৩ সালের অ্যাশেসের শেষ ম্যাচে।
ওয়াকস টেস্টে ১৯২ উইকেট নিয়েছেন গড় ২৯.৬১, এবং ২০৩৪ রান করেছেন গড় ২৫.১১। ওয়ানডেতে ১৭৩ উইকেট ও ১৫২৪ রান, টি২০তে ৩১ উইকেট ও ১৪৭ রান।
ওয়াকস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “ইংল্যান্ডের জন্য খেলা ছোটবেলা থেকে আমার স্বপ্ন ছিল। দুই বিশ্বকাপ জয় এবং অসাধারণ অ্যাশেস সিরিজের অংশ হওয়া আমি কখনও ভাবিনি। দলীয় বন্ধুদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো চিরস্মরণীয় থাকবে। আমি কাউন্টি ক্রিকেট ও ফ্র্যাঞ্চাইজি খেলার সুযোগ চালিয়ে যেতে আগ্রহী।”
ভারতের ট্রফি নিয়ে গেছেন নাকভি দ্রুত ফেরত পাঠাতে বললো বিসিসিআই