ইরান ও তুরস্ক কুজেহরাশ সীমান্ত ক্রসিং উদ্বোধনের বিষয়ে প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে। ইরানের পশ্চিম আজারবাইজান প্রদেশের সালমাস শহরের কাছে অবস্থিত এই সীমান্তটি হবে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে চতুর্থ সরকারি স্থলবন্দর।
পশ্চিম আজারবাইজান প্রদেশের সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিবহন সংস্থার মহাপরিচালক জানান, কুজেহরাশ সীমান্ত ক্রসিংয়ের সঠিক অবস্থান নিয়ে তুরস্কের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং দুই দেশের মধ্যে প্রাথমিক চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।
সেপ্টেম্বর ৩০ তারিখে কুজেহরাশের প্রস্তাবিত স্থানে স্থানীয় কর্মকর্তা ও তুরস্কের প্রযুক্তিগত প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে দেওয়া এক বক্তব্যে আরসালান শোকরি বলেন, নতুন টার্মিনালের জন্য সমীক্ষা কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেন, ‘শুধু চূড়ান্ত স্থান নির্ধারণ বাকি ছিল, আর আজকের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান হয়েছে এবং চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।’
শোকরির মতে, উভয় পক্ষ একমত হয়েছে যে সীমান্তের দুই পাশে অভিন্ন ও যৌথ গেট নির্মাণ করা হবে, যা অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্প্রসারণকে সহজ করবে। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো যৌথ সীমান্ত ক্রসিংয়ের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বার্ষিক বাণিজ্য বিনিময় ৩০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা।
কুজেহরাশ সীমান্ত ক্রসিং সালমাস শহর থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
৫৫০ কিলোমিটার সীমান্ত নিয়ে পশ্চিম আজারবাইজান প্রদেশই একমাত্র ইরানি প্রদেশ, যার সঙ্গে তুরস্কের সীমান্ত রয়েছে। বর্তমানে এই প্রদেশে তিনটি প্রধান সীমান্ত বন্দর—বাজারগান, রাজি ও সেরো—অবস্থিত, যা ইরানের ইউরোপীয় বাজারে প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করছে।
