জাতীয় নিরাপত্তা শক্তিশালী করতে একটি ‘জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা’ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপান। সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী সানায়ে টোকাইচি এই সংস্থা গঠনের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে মন্ত্রিসভার সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছেন। এটি গোয়েন্দা তথ্যের কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টার হিসেবে কাজ করবে।
শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র মিনোরু কিহারা এই ঘোষণা দেন।
প্রস্তাবিত সংস্থাটি পুলিশ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও নাগরিক নিরাপত্তা সংস্থার তথ্য একত্রিত করবে। এর লক্ষ্য বিদেশি হুমকি শনাক্ত করা এবং সেগুলোর জবাবদিহি করার সক্ষমতা বাড়ানো। নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
এই পরিকল্পনা লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) ও ডানপন্থী জাপান ইনোভেশন পার্টি (জেআইপি) গঠিত নতুন শাসক জোটের নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ। সমর্থকদের মতে, মার্কিন সিআইএ বা ব্রিটিশ এমআইসিক্সের মতো সংস্থার তুলনায় জাপান অনেক পিছিয়ে। তাই এই উদ্যোগ দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত। তবে সমালোচকরা আশঙ্কা করছেন, এতে নজরদারি বাড়বে এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হবে। কেউ কেউ একে একচ্ছত্রবাদী পদক্ষেপ বলে মনে করছেন।
