বেদানা-বিটরুট না খেয়েও রক্তাল্পতার ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব, জেনে নিন

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:২৪ এএম

রক্তাল্পতায় ভোগা রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। হাত-পা অবশ হয়ে যাওয়া, শরীরজুড়ে ক্লান্তি, ঘন ঘন সর্দি-কাশি হওয়া এমন নানা সমস্যা দেখা দেয়। রক্তাল্পতার এই সব লক্ষণ দূর করতে হলে শরীরে আয়রনের ঘাটতি মেটাতে হবে। শরীরে আয়রনের ঘাটতি থাকলে লোহিত কণিকার উৎপাদন ক্ষমতা কমে যায়। তখন এই সমস্যা দেখা দেয়।  

রক্তাল্পতার ঝুঁকি এড়াতে হলে আয়রন সমৃদ্ধ খাবার প্রতিদিন খেতে হবে। সাধারণত বেদানা, বিটরুটের মতো ফল ও সবজিতে ভরপুর মাত্রায় আয়রন পাওয়া যায়। কিন্তু এগুলো মরশুমি খাবার। সারাবছর পাওয়া যায় না। তাই এমন কিছু খাবারের খোঁজ রইল, যা সারা বছর পাওয়া যায় এবং যেগুলো আয়রন সমৃদ্ধ।

রেড মিট

রেড মিটে আয়রন রয়েছে। এমনকি মুরগির মাংসের ও পাঁঠার মাংসের লিভারেও আয়রন পাওয়া যায়। শরীরে আয়রনের মাত্রা বাড়াতে হলে মাঝেমধ্যে রেড মিট বা অর্গান মিট খেতে পারেন।

ডাল

বিভিন্ন ধরনের ডাল, বিনস, কড়াই ইত্যাদিতে ভরপুর মাত্রায় আয়রন পাওয়া যায়। এক কাপ সিদ্ধ ডালে প্রায় ৬.৬ মিলিগ্রাম আয়রন রয়েছে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এক বাটি ডাল রাখলেই রক্তাল্পতার ঝুঁকি এড়াতে পারবেন। তবে এর সঙ্গে অবশ্যই ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে।

কুমড়োর দানা
রক্তাল্পতার ঝুঁকি এড়াতে প্রতিদিন কুমড়োর দানা খেতে পারেন। ৩০ গ্রাম কুমড়োর দানায় ২.৫ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে। স্ন্যাকস হিসেবে খেতে পারেন কুমড়োর দানা। 

কিনোয়া

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে আজকাল অনেকেই কিনোয়া স্যালাদ খান। এই খাবারের মধ্যেও আয়রন পাওয়া যায়। এক কাপ কিনোয়া সিদ্ধের মধ্যে ২.৮ মিলিগ্রাম আয়রন রয়েছে। কিনোয়ার দিয়ে নিত্যনতুন পদ বানিয়ে খেতে পারেন। 

বিভিন্ন ধরনের শাকপাতা

পালংশাকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয়রন রয়েছে। এক কাপ সিদ্ধ পালংশাকে ৬.৪ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে। এছাড়া যে কোনও শাকের মধ্যে আপনি আয়রন পেয়ে যাবেন। প্রতিদিনের খাবারে যে কোন শাক রাখলেই রক্তাল্পতার ঝুঁকি এড়াতে পারবেন। 

শুধু আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খেলে চলবে না। সঙ্গে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবারও খেতে হবে। ভিটামিন সি আয়রন শোষণে সাহায্য করে। অনেক সময়ে ভিটামিন সি-এর ঘাটতি থাকলেও দেহে আয়রনের ঘাটতি তৈরি হয়। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত