তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমন কাউকে পর্যবেক্ষক হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হবে না, যিনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে পারেন। এছাড়া নির্বাচনকালীন সময়ে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের আমন্ত্রণের বিষয়টি দেখভাল করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
তিনি আরও জানান, যারা পর্যবেক্ষক হিসেবে আসতে চান, তাদের স্বাগত জানানো হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ইতোমধ্যেই পর্যবেক্ষক প্রেরণের আগ্রহ প্রকাশ করেছে, যা সরকার একটি ইতিবাচক লক্ষণ হিসেবে দেখছে। নির্বাচন এগিয়ে এলে আরও পর্যবেক্ষক গ্রুপ আসতে পারে।
বাহরাইনের সাথে ভিসা ইস্যু প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে একটি সমাধান চায় ঢাকা। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সকল বড় দেশের সাথে সুসম্পর্ক রয়েছে। ঢাকা সম্পর্কের ভারসাম্য রেখেই কাজ করছে। চীন ও আমেরিকার সাথে বাংলাদেশের ভালো বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে এবং ভবিষ্যতের সরকারও এ সম্পর্ক বজায় রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অন্য কোনো দেশের জন্য উদ্বেগের বিষয় নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এসময় উপদেষ্টা ভারতের পররাষ্ট্র সচিবকে একটি বিষয় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সুযোগ পেয়েও আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে অনুষ্ঠিত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে দিল্লি কেন তাদের অবস্থান জানায়নি, তা তিনি বুঝতে পারেন না।
