চীন রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যমে তাইওয়ান ইস্যুতে নিজের অবস্থান আরও দৃঢ় করার চেষ্টা করছে। এই প্রচারণা বিশেষভাবে তীব্র করা হয়েছে শি জিনপিং ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৩০ অক্টোবর দক্ষিণ কোরিয়ার এপেক শীর্ষ সম্মেলনে প্রথম বৈঠকের আগে।
সাম্প্রতিক সময়ে চীনের সরকারি সংবাদ সংস্থা শিনহুয়া তিনটি সম্পাদকীয় প্রকাশ করেছে। এতে পুনর্মিলনের পক্ষে চীনের দৃষ্টিভঙ্গি পুনরায় তুলে ধরা হয়েছে। একটি সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, ‘মাতৃভূমির সম্পূর্ণ পুনর্মিলন অবশ্যই অর্জিত হবে।’
এ সপ্তাহে চীনের একটি আইন প্রণেতা সংস্থা অক্টোবর ২৫ তারিখকে ‘তাইওয়ান পুনরুদ্ধারের স্মরণ দিবস’ ঘোষণা করেছে। চীন দাবি করেছে, এটি মূলত জাপানি ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান স্মরণে, যদিও জাপান চলে যাওয়ার পর চীনা সরকার দ্বীপে কখনো শাসন করেনি।
বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কের অন্যতম জটিল ইস্যু হলো তাইওয়ান। যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে দ্বীপটিকে সমর্থন করে, আর চীন এটিকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে চায়। তবে তাইওয়ান দাবি করছে, তারা কার্যত স্বাধীন।
ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর উ ঝিনবো জানিয়েছেন, তাইওয়ান ইস্যু শি-ট্রাম্প বৈঠকে আলোচনার বিষয় হবে। চীনের মিডিয়ার প্রচারণা মূলত তাইওয়ান এবং যুক্তরাষ্ট্রকে একটি স্পষ্ট সংকেত পাঠাচ্ছে, যে চীন কখনও দ্বীপটিকে স্বাধীন ঘোষণা করতে দেবে না।
শিনহুয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, চীনের স্যাটেলাইট তাইওয়ানের প্রতিটি রাস্তা পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি মূলত দ্বীপের সাধারণ মানুষদের ভয় দেখানোর কৌশল।
একই সময় চীনের পক্ষ থেকে তাইওয়ানের শাসক দলকে সতর্কবার্তা প্রদানের অংশ হিসেবে আইনপ্রণেতা পুমা শেনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত ও শুরু করা হয়েছে। যদিও এটি মূলত প্রতীকী পদক্ষেপ, তবে চীনের রূপকে কেন্দ্র করে তাইওয়ান সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
নিহতের পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রুল
মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণে নতুন সুযোগ